Press "Enter" to skip to content

তামিলনাড়ু: পাহাড়ের উপরে থাকা হিন্দু মন্দিরকে করা হলো অপবিত্র, লেখা হলো আপত্তিজনক শব্দ

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় তামিলনাড়ু রাজ্যে শহর ছাড়িয়ে প্রশান্ত গ্রামাঞ্চলে ছড়িয়ে আছে ভারতীয় সংস্কৃতির চিহ্ন। যা যে কোনও দর্শনার্থী মনের পটে দাগ আঁকতে বাধ্য, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। খাঁটি তামিল সংস্কৃতির অনুভূতি তার সমস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। তামিলনাড়ুর একটি কেন্দ্রীয় বৈশিষ্ট্য যা নিঃশব্দে রয়ে যেতে পারে না, তা হ’ল এই রাজ্যের দুর্দান্ত কিছু , যা কয়েক হাজার বছর আগের পবিত্র জায়গাগুলিতে নির্মিত হয়েছে।

তবে তামিলনাড়ুতে বিগত কয়েক বছর ধরে ক্রমাগত হিন্দু মন্দিরে আক্রমণ হওয়ার অভি উঠেছে। সম্প্রতি এই রাজ্যের একটি হিন্দু মন্দিরে আক্রমণ করা হয়েছে।তিরুনেলভেলি জেলার আলভারকুরিচিতে অত্রি পাহাড়ের চূড়ায় পাথর কেটে কেটে তৈরি পাহাড়ী মন্দিরগুলিতে সম্প্রতি কট্টরপন্থীরা ব্যাপক ভাঙচুর করেছে।

অত্রি পাহাড়ে হিন্দু মন্দিরের আশেপাশের পাথরগুলি লক্ষ্য করে হয়েছিল এবং সেখানে ইসলামী প্রতীক “আধখানা ” এঁকে দেওয়া হয়েছে। ভাঙচুরকারীরা পাহাড়ের উঁচুতে ইসলামী প্রতীক এবং ৭৮৬ নম্বর সহ “আল্লাহু ” লিখেছে।

হিন্দু মন্দিরগুলিতে বারংবার ভাঙচুরের ঘটনা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের হতবাক করেছে। ফলত, তামিলনাড়ু সরকার এবং হিন্দু ধর্মীয় ও দাতব্য এনডাউমেন্টস (এইচআর অ্যান্ড সিই) বিভাগকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে হিন্দু মন্দিরগুলিতে আক্রমণ বন্ধ করার দাবি করা হয়েছে।

সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, হিন্দু ধর্ম বিষয়ক এইচআর অ্যান্ড সিই বিভাগ তিরুনেলভেলির অত্রি পাহাড়ের অরুলমিগু অনুসুয়াী সামেদা অত্রি পরমেশ্বর মন্দির এবং গোরাক্কর মন্দিরের প্রশাসন পরিচালনার জন্য দায়িত্বে রয়েছে। কাদানা নদী, যা অত্রি গঙ্গা তীর্থক্ষেত্র নামে পরিচিত, এটি বহুবর্ষীয় পুরোনো নদী এবং এটি বিরল সাদা কচ্ছপের বাসস্থান।

ভক্তদের আশঙ্কা, ইসলামী সংগঠনগুলি পবিত্র পাহাড় দখল করে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে এবং রাজ্যের বন বিভাগের বিরুদ্ধে এই অপরাধীদের হিন্দুদের জমিতে অনুপ্রবেশে অনৈতিক সাহায্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে।