Press "Enter" to skip to content

তৃণমূলের খেলা রুখতে তৎপর কংগ্রেস, মমতাকে ঝটকা দিতে প্রস্তুতি সোনিয়া-রাহুলের

নয়া ঃ একুশের নির্বাচনে জয়লাভের পর বাংলায় তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফিরে দেশ থেকে বিজেপিকে উৎখাত করার ডাক দিয়েছে তৃণমূল। আর এরজন্য তাঁরা সমস্ত শক্তিগুলোকে এক হওয়ার আবেদনও জানিয়েছে। কিন্তু বিরোধীদের এক করার আগেই তৃনমূল নিজেই বিরোধীদের ভাঙা শুরু করেছে। বাংলা সহ ত্রিপুরা, , অসম আর মেঘালয়ের মতো রাজ্যে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করতে কংগ্রেসকে ভেঙে দল বাড়াচ্ছে তৃণমূল।

ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরা থেকে বহু কংগ্রেস নেতৃত্ব তৃণমূলে যোগ দিয়ে ঘাসফুল িরের শক্তি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে গোয়ার প্রাক্তন তথা কংগ্রেসের বিধায়ক দু’দিন আগে তৃণমূলে যোগ দিয়ে কংগ্রেসকে ঝটকা দিয়েছে। এবার এই ভাঙন রুখতেই তৎপর হয়েছে রাহুল গান্ধীরা।

কিছুদিন ধরেই জল্পনা উঠছিল যে, মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা কংগ্রেস ছেড়ে সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। এই খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কংগ্রেস শিবিরে উদ্বেগ বেড়ে যায়। আর সেই উদ্বেগ কমাতেই মুকুল সাংমার সঙ্গে বৈঠক করলেন সোনিয়া, রাহুল গান্ধীরা। বৈঠক সফল হয়েছে বলে জানিয়েছেন খোদ মুকুল সাংমা।

মুকুল সাংমাকে নিয়ে চারিদিকে জল্পনা ছড়ানোর পর খোদ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আপনাদের কে বলেছে আমি দল ছাড়ছি? নিশ্চিত যখন কিছুই হয়নি, তাহলে কানাঘুষো চালিয়ে যাচ্ছেন কেন? আমি আগেই বলেছি আগে বিধায়কদের সঙ্গে দেখা করব। এই মুহূর্তে আমি এই বিষয়ে কিছু বলতে পারব ন।”

এই দলবদলের জল্পনার মাঝে কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মুকুল সাংমা। এরপর তিনি বলেন, যে বিষয়গুলি নিয়ে সংশোধনের দরকার ছিল তা নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, সবাইকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, দলের মতাদর্শের সঙ্গে কোনওরকম আপস যেন না করা হয়।