Press "Enter" to skip to content

ত্রিশূল, বজ্র সহ ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি হল ৫টি হাতিয়ার! চীনা শত্রুরা চাখবে বিদ্যুতের স্বাদ

সীমান্ত এলাকায় দেশের সুরক্ষার জন্য সর্বদা তৎপর ভারতীয় সেনাবাহিনী ()। আর সেনাবাহিনীকে নিত্যনতুন হাতিয়ার সর্বদা আরও শক্তিশালী করে তুলতে প্রস্তুত থাকে সরকারও। কখনও বিদেশের তৈরি হাতিয়ার, আবার কখনও ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ অস্ত্র দিয়ে বাড়িয়েই চলেছে সেনাদের ক্ষমতা।

তবে এবার উত্তরপ্রদেশের একটি কোম্পানি এমন কিছু অস্ত্র তৈরি করেছে, যা মুহূর্তের মধ্যে আগত শত্রুপক্ষকে শায়েস্তা করতে সক্ষম। গত বছর গালভান উপত্যকায় চাইনিজ সেনাদের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় এই অস্ত্রের খুবই প্রয়োজন ছিল।

https://platform.twitter.com/widgets.js

সেখানে অত্যাধুনিক প্রাণঘাতী হাতিয়ার দিয়ে ভারতীয় সেনাদের উপর আঘাত হানে চীনা সেনারা। এবার ভারতের হতেও চলে এসেছে এমন কিছু হাতিয়ার, যা দিয়ে মজার ছলেই আঘাত করা যাবে চীনা সেনাদের। নয়ডার একটি স্টার্ট-আপ ফার্ম এই অস্ত্র প্রস্তুত করেছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

ত্রিশূলঃ এমন একটি প্রাণঘাতী হাতিয়ার, যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। সেইসঙ্গে গাড়ি পাঞ্চার করতেও এই হাতিয়ার ব্যবহৃত হয়। একটি মাত্র বোতাম টিপলেই, এই অস্ত্রে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।

স্যাপার পাঞ্চঃ চীনা শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার হতে চলা অত্যাধুনিক হাতিয়ার হল স্যাপার পাঞ্চ, যার মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। হাতের লড়াইয়ে এই স্যাপার পাঞ্চের ঘুষি খেলেই এর মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হবে।

ধাতব কাঠির মতো হল বজ্র, যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। কাঁটাযুক্ত স্পাইক থাকে এই অস্ত্রে। সামনের দিকে এগিয়ে আসা শত্রুকে এর মধ্যেকার বিদ্যুৎ দিয়ে আঘাত করা যায় এবং গাড়িকে পাঞ্চার করে দেওয়া যায়।

দন্ডঃ বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত একটি লাঠি হল দন্ড। একটি সুইচ দ্বারা পরিচালিত হয় এই দন্ড। শত্রুরা এটি ছিনিয়ে নিয়েও ব্যবহার করতে পারবে না।

ভদ্রঃ একটি ধরনের ঢাল হল ভদ্র। এর একটি অংশে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয় এবং এটি শত্রুদের ছোঁড়া পাথরের হাত থেকে রক্ষা করে। আর এটি থেকে এমন এক উজ্জ্বল আলো নির্গত হয়, যা শত্রুদের চোখ নষ্ট করে দিতে সক্ষম।