Press "Enter" to skip to content

থার্ড অথবা চতুর্থ ফ্রন্ট বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারবে বলে মনে হয় না! আশঙ্কা পিকের

নয়া দিল্লীঃ  ার্জীকে পশ্চিমবঙ্গে বড় জয় পাইয়ে দেওয়ার পর এবার লক্ষ্য ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। আর সেটিকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছেন ভোট কুশলী (Prashant Kishor)। কিছুদিন আগে চব্বিশের রণনীতি স্থির করতে মহারাষ্ট্রে NCP প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন তিনি। এরপর ঠিক এক সপ্তাহের মাথায় দিল্লীতে আবারও শরদ পাওয়ারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন পিকে। চব্বিশের আগে এই তৎপরতা নিয়ে জল্পনা উঠছে যে, আর কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে কি কোনও তৃতীয় ফ্রন্ট গড়তে চাইছেন তিনি?

যদিও এক প্রশ্নের উত্তর প্রশান্ত কিশোর বলেন যে, তৃতীয় বা চতুর্থ ফ্রন্ট এনে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ জানানো সম্ভব না। তৃতীয় ফ্রন্টের মডেল এখন পুরনো হয়ে গিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ আর ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনেও তৃতীয় ফ্রন্টের কথা উঠে এসেছিল। করে ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে ঝড় আটকাতে বিরোধীদের এক হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল। কিন্তু সেটা সম্ভব হয়নি। যদিও, সব বিরোধীরা নরেন্দ্র মোদী এবং বিজেপিকে একযোগে আক্রমণ করে গিয়েছিলেন। তবুও উনিশের নির্বাচনে তাঁর প্রভাব পড়েনি।

বাংলায় একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে জয় এনে দেওয়ার পর ২০২৪-এর লোকসভার নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন পিকে। আর তৃণমূলের ‘মিশন ২০২৪” অনুযায়ী তিনি ঘন ঘন শরদ পাওয়ারের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করছেন। আরেকদিক, আজ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সহ সভাপতি যশবন্ত সিনহার বাড়িতে রাষ্ট্র মঞ্চের বৈঠক হতে চলেছে। এই বৈঠকে শরদ পাওয়ারও উপস্থিত থাকতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

তৃণমূল ইউপিএ চেয়ারম্যানের পদ থেকে গান্ধীকে হটিয়ে শরদ পাওয়াকে চাইছে বলে জানা গিয়েছে। সর্বভারতীয় স্তরে কংগ্রেসের অবস্থা এখন শোচনীয়। দু’একটা রাজ্যে যেখানে ক্ষমতায় আছে, সেখানেও বিদ্রোহের সুর দেখা দিয়েছে। এমনকি দলে কোনও স্থায়ী সভাপতিও নেই। তাই এরকম দুর্বল দলের সভাপতি ইউপিএ-এর চেয়ারম্যান হিসেবে থাকুক সেটা চায়না তৃণমূল। তাঁদের মতে শরদবাবুকে চেয়ারম্যান করা হলে চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ হিসেবে তুলে ধরতে সুবিধা হবে।