Press "Enter" to skip to content

দরিদ্র ও মধ্যেবিত্ত পরিবারকে দারিদ্র্য সীমার নিচে যাওয়া থেকে আটকাতে দারুন স্কিম চালু করলো মোদী সরকার।

কেন্দ্রে আসার পর থেকে ব্যাপক হারে উন্নতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে তা দেশের দল না মানলেও বিশ্বের শক্তিশালী দেশগুলো স্বীকার করেছে।
কেন্দ্রে সরকার আসার পর সমগ্র দেশবাসীর জন্য বেশকিছু স্কিম চালু করেছিল এবং বেশ কিছু স্কিম এখনো চালু হওয়ার পথে। আমরা আপনাদের এমন একটা স্কিম এই কথা জানাবো যা ভারতের স্বাস্থ্য ও দারিদ্রতার উপর সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করবে। না এটা আমরা বলছি না এটা জানিয়েছে

WHO জানিয়েছে মোদী সরকার ‘আয়ুষ্মান ভারত’ নামে যে স্কিম চালু করেছে তা ভারতের স্বাস্থ্যব্যাবস্থাকে করে ে এবং একই সাথে অনেক দরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্য সীমার নিচে যাওয়ার থেকে আটকাবে।

‘আয়ুষ্মান ভারত স্কিম’ চালু করার কারণ:

আসলে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থার সবথেকে বড় সমস্যা হলো, কোনো দরিদ্র ব্যাক্তি কোনো এক্সিডেন্ট বা রোগ দ্বারা আক্ৰান্ত হলে সরকার কোনোরকম সাহায্য করে না। অর্থাৎ সুস্থ হওয়ার জন্য পুরো টাকায় দরিদ্র ব্যাক্তিকে নিজের পকেট থেকে দিতে হয় যার জন্য সে দরিদ্র ব্যাক্তি দরিদ্রসীমার নিচে নেমে যায়। বর্তমানে দেশে বহু স্বাস্থ্যবীমা চালু হলেও সেইসবে বছরে একটা নিদিষ্ট পরিমান টাকা জমা দিতে হয় যা দরিদ্র ব্যাক্তিদের পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না। এই সমস্থ কথা চিন্তা করে মোদী সরকার এই ‘আয়ুষ্মান ভারত’ স্কিম চালু করার কথা জানায়।

কি সুবিধা পাওয়া যাবে এই স্কিম?

এই স্কিম এর মাধ্যমে সরকার ভারতের দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো(৫০ কোটি মানুষ এই সুবিধা পাবে বলে মনে করা হচ্ছে) ৫ লক্ষ টাকা করে প্রদান করবে। অর্থাৎ প্রতি বছর ৫ লক্ষ টাকা সরকার দরিদ্র পরিবারের জন্য বরাদ্দ করবে।
তবে এই টাকা হাতে দেওয়া হবে না। সরকার কিছু বিশেষ হাসপাতাল ও স্বাস্থকেন্দ্রকে এই জন্য বাছাই করবে যেখানে সাধারণ মানুষ তাদের চিকিৎসা করাতে পারবেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো সরকার এই স্কিম এর জন্য জনগনের কাছে থেকে কোনো টাকা নেবে না। এই স্কিম এর আওতায় যেকোনো কঠিন রোগ,একসিডেন্ট বা সাধারণ রোগের চিকিৎসা করা হবে।

পশ্চিমবঙ্গবাসীদের জন্য দুর্ভাগ্য:

আপনারা এটা জেনে হতাশ হবেন যে, পশ্চিমবঙ্গবাসীরা মোদী সরকারের এই বিশেষ স্কিম এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন না। কারণ দেশের ২ টি রাজ্য উড়িষ্যা(কংগ্রেস শাসিত) ও পশ্চিম বঙ্গ(তৃণমূল কংগ্রেস শাসিত) এর রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই স্কিম নিজেদের রাজ্যে চালু করাবে না বলে জানিয়েছে। সাধারণ মানুষের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের সরকার(মমতা ব্যানার্জীর সরকার) নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ দেখতে গিয়ে বঙ্গবাসীকে দেশের একটি বিশেষ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে।

সাধারণ স্বাস্থ্যবীমার সাথে আয়ুষ্মান ভারত স্কিম এর পার্থক্য:

যেকোনো স্বাস্থ্য বীমা করার সময় আপনাকে একটা নিদিষ্ট পরিমান টাকা বছরে বা মাসে বীমা সংস্থাকে দিতে হয়। কিন্তু মোদী সরকারের এই স্কিম এ কোনো টাকা দিতে হবে না। সাধারণ স্বাস্থ্যবীমায় কিছু ক্ষেত্রে কোনো ব্যাক্তির বিশেষ রোগ থাকলে তাকে স্বাস্থ বীমা করতে দেওয়া হয় না কারণ এতে বীমা কোম্পানির ক্ষতি হয়। কিন্তু আয়ুষ্মান ভারত এর স্কিম এ যেকোন দরিদ্র মানুষকে সুবিধা দেওয়া হবে।এই স্কিম ভারতের দারিদ্রতার গ্রাফে যে আমূল পরিবর্তন আনবে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আসলে দরিদ্র পরিবার যাতে আরোও দরিদ্র না হয়ে পড়ে তার জন্যই এবং দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই এই স্কিম সরকার চালু করতে চলেছে। কেন্দ্র সরকার জানিয়েছে 6 থেকে ৭ মাসের মধ্যে এই স্কিম সারা দেশে চালু হয়ে যাবে। বর্তমানে এই স্কিম ছত্রিশগড়ে চালু হয়েছে এবং আরো কয়েকটি রাজ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

.

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.