Press "Enter" to skip to content

দুর্গাপুজো নিয়েও তৃণমূলের কোন্দল! তৃণমূলের নেতার বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ


মালদাঃ দুর্গাপুজো নিয়েও ের () কোন্দল। আর এই নিয়ে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্রের বাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলেরই বিরুদ্ধে। মালদার পুড়াটুলি সদরঘাট এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। বাড়িতে তৃণমূলের হামলার পর প্রাক্তন মন্ত্রীর মেয়ে থানায় লিখিত ভাবে অভিযোগ দায়ের করেছেন। যদিও এই ঘটনায় তাঁদের কোনও হাত নেই বলে জানিয়ে দিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সাবিত্রী মিত্র জানান, ‘দীর্ঘদিন ধরে পাড়ায় দুর্গা পুজো হয়ে আসছে। আর প্রতিবছরই এটা হোক সবাই চায়। কিন্তু গত বছর এই পুজো হয়নি। আমরা গতবার পাড়ার বয়স্ক মানুষদের কাছে পুজো করার আবেদন নিয়ে গিয়েছিলাম, কিন্তু পুজো হয়নি। আর কেনও হয়নি তাও জানিনা।

তিনি জানান, গত বছর পুজোর দায়িত্বে ছিলেন তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অম্লান ভাদুড়ি। কিন্তু ওনার বাবা আচমকাই পরলোক গমন করেন। এই কারণে তিনি পুজোর দায়িত্ব নিতে পারেন নি। তবে এই পুজোর দায়িত্ব সিনিয়রদের হাতেও দেওয়া হয়েছিল না গতবছর। যদি দেওয়া হত, তাহলে এই পুজো বন্ধ হত না।

তিনি জানান, এবছরেও পুজো নিয়ে কোনও সাড়া শব্দ নেই। আমি এবার পুজো কমিটির সভাপতি। আর এই পুজো করার জন্য সম্পাদক অথবা কোনও সদস্যের তরফ থেকে একটি মিটিং ডাকা হয়। এটা তাঁদেরই তরফ থেকে কোনও মিটিংই ডাকা হয়নি। সরকারের অনুদান প্রতি বছরই পেয়ে আসছে পুজো কমিটি। এবছরেও পেয়েছে। আর এই কারণে আমরা এই পুজোর ব্যাপারে জানতে আগ্রহী হই। এরজন্য একটি মিটিংও ডাকা হয়।

তিনি জানান, মিটিংয়ের আগের দিনে রাতে আমার বাড়ির সামনে কজন এসে হুজ্জুতি শুরু করে। আমার বাড়ির দরজয়া জোরে জোরে বাঁশ দিয়ে মেরে ভাঙার চেষ্টা করা হয়। তিনি জানান, এই ঘটনার পিছনে ক্লাবের অনেক সদস্যই জড়িত আছে। তাঁদের কারণে আমাদের গোটা পরিবার এখন আতঙ্কে রয়েছে।

প্রাক্তন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠরা জানান, সাবিত্রী দেবীর বাড়ির পাশেই অম্লান বাবুর বাড়ি। আর অম্লান বাবুর বাড়ির সামনেই তৈরি হচ্ছে নতুন দুর্গা মন্দির। ওনারা জানান, এই মন্দিরটি অম্লান বাবুর বাড়ির অনেকখানি আড়াল করেছে রেখেছে, আর এই কারণে অম্লান বাবু কোনওমতে এই মন্দির ভাঙার জন্য উদ্যোগী হয়েছে। আর সেই কারণেই পাড়ায় গত বছর থেকে পুজো বন্ধ।

যদিও অম্লান বাবু সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পাড়ার কেউই এই পুজো করার জন্য আগ্রহী নয়। এই পরিস্থিতিতে দু-একজন পুজো করার জন্য এগিয়ে আসছেন। উনি জানান, এই ঘটনার সাথে তৃণমূলের কোনও হাত নেই। ইচ্ছে করে দলের নাম খারাপ করা হচ্ছে।