Press "Enter" to skip to content

‘দুয়ারে কাটমানি”, ATM সোয়াইপ মেশিন নিয়ে বাড়ি বাড়ি যায় তৃণমূল নেতা! ফাঁস হল কুকীর্তি


জলপাইগুড়িঃ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা নেত্রীদের কাটমানির লোভ কিছুতে কাটছে না। ভোট পরবর্তীকালেও এদিক ওদিক থেকে বেশ কয়েকবার নেওয়ার কানে এসেছে। মাত্র কয়েকদিন আগে জলপাইগুড়ি থেকে কাটমানি নেওয়ার অভি উঠেছে স্থানীয় তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ওই তৃণমূল নেতা সোয়াইপ মেশিন হাতে নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে কাটমানি তুলছেন। তিনি আবার নিজে একজন স্থানীয় তৃণমূল সদস্য।

কাটমানি নেওয়ার এই ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির পাহাড়পুর পঞ্চায়েত সংলগ্ন এলাকায়। জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন ওই এলাকার িন্দাদের থেকে ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার নাম করে কাটমানি তুলছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। যা নিয়ে ইতিমধ্যে তুমুল বিক্ষোভে ফেটে পড়তে দেখা দিয়েছে বাসিন্দাদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছে, ‘ঠিকঠাক মতো ১০০ দিনের কাজও জোটে না এখানে। যদিওবা কেউ সেই কাজ পায়, তাহলে সেই কাজের বিনিময়ে কাটমানি দিতে হয় ওই তৃণমূল নেতাকে। আর সেই টাকার ভাগ নেওয়ার জন্য ওই তৃণমূল নেতা এবং তার অনুগত সদস্যরা আমাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যায়। কখনও বা আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে, আবার কখনও বা সোয়াইপ মেশিন নিয়ে আমাদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে টাকা তুলে নিয়ে যাচ্ছে।

এই ঘটনা জানাজানি হতে সদর পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অসীম রায় বলেছেন, ‘অভিযুক্ত ওই ব্যক্তি পঞ্চায়েত সদস্য হিসাবে নির্বাচনে জিতে ছিলেন। কিন্তু তারপর তার অনৈতিক কাজকর্মের জন্য এলাকাবাসীরা কাজ পাচ্ছিল না, এমনকি আমরাও কোনো কাজ করতে গেলে সে তার দলবল নিয়ে এসে বাধা দিত। এখন শোনা যাচ্ছে, এলাকাবাসী ১০০ দিনের কাজ পেলে, তাদের বাড়ি পৌঁছে গিয়ে সোয়াইপ মেশিন দিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্য। তবে এই কাজটা কিন্তু মোটেই ঠিক নয়। প্রতিটি বাসিন্দার অধিকার আছে, ১০০ দিনের ন্যায্য টাকা পাওয়ার’।

তবে কাটমানির এই বিষয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার তরফ থেকে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে এই ঘটনার প্রতিবাদে তুমুল সোচ্চার হয়েছেন এলাকাবাসী। এর জেরে বুধবার ধুন্ধুমার কান্ড বাঁধে ওই এলাকায়।