Press "Enter" to skip to content

নন্দীগ্রাম ছাড়াও আরও ৪টি আসনের জনাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ তৃণমূল


তৃতীয়বার রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনবার মুখ্যমন্ত্রী হয়ে হ্যাট্রিক করেছেন । আরেকদিকে, শূন্য থেকে ৭৭ আসনে উঠে এসেছে বিজেপি। নিজেদের বিশাল জয়ের পরেও উত্থান নিয়েও কিছুটা চিন্তিত তৃণমূল নেতৃত্ব। আর সেই কারণে বিজেপিকে আগামীদিনে আরও বড়সড় ঝটকা দিতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস।

একদিকে, একজন বিধায়ক তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি মুকুল রায়কে দলে নিয়ে শুধু বঙ্গেই না, ত্রিপুরাতেও শিবিরকে ঝটকা দেওয়া লক্ষ্যে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। আরেকদিকে বিজেপির জেতা একাধিক আসনের ফলাফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছে ঘাসফুল। সূত্রের খবর অনুযায়ী, তৃণমূল যেই আসনগুলিতে কম মার্জিনে হেরেছে, সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছে তাঁরা।

দলীয় সুত্র অনুযায়ী, ওই আসনগুলিতে তৃণমূল হারেনি, তাঁদের ঘুরপথে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁদের দাবি, ওই আসনগুলিতে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচন/গণনা হয়নি। আর সেই কারণে ওই আসনগুলির ফলাফল নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানাতে চলেছে তাঁরা। ইতিমধ্যে নন্দীগ্রামের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

দলনেত্রীর দেখা দেখি পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থী সংগ্রাম কুমার দলুই, উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণের তৃণমূল প্রার্থী রানী সরকার, পুরুলিয়ার বলরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী শান্তিরাম মাহাতো এবং হুগলির গোঘাটের তৃণমূল প্রার্থী মানস মজুমদার হাইকোর্টে মামলা করে রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন। তাঁদের পরাজয়ের ব্যবধান বেশ কম বলেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তৃণমূল প্রার্থী দ্বারা দায়ের করা এই মামলাগুলো গ্রহণ করেছে হাইকোর্ট। আগামী ১৫ জুলাই এই মামলার শুনানি হতে চলেছে। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, ‘সঠিকভাবে নির্বাচন আর গণনা হলে তৃণমূল ২৫০-র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসত। কিন্তু কেন্দ্রীয় বাহিনী আর কমিশন ঘুরপথে অনেক তৃণমূল প্রার্থীকে হারিয়ে দিয়েছে।