Press "Enter" to skip to content

নিজের একটি ভুলের কারণে ফেঁসে গেল চীন, সুবর্ণ সুযোগ এলো ভারতের কাছে

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ আজ যখনই বিশ্বের বড় বড় পরাশক্তির কথা বলা হয়, তখনই সবচেয়ে বেশি নেওয়া হয় দুটি নাম, একটি আমেরিকা ও দ্বিতীয়টি চীন। এর পেছনের কারণও এটাও যে আজ অর্থনীতি হোক বা সামরিক, দুই জায়গাতেই চীন অনেক উন্নতি করেছে। এ ক্ষেত্রে ভারতের গতি ভালো, কিন্তু এখনও চীনের চেয়ে অনেক পিছিয়ে আমরা। কিন্তু চীনের একটি ভুল যা তাকে খুব সমস্যার মধ্যে ফেলছে, সেটি হলো তাঁদের ক্রমহ্রাসমান জনসংখ্যা।

আমরা যদি চীনের বর্তমান জন্মহারের কথা বলি, তাহলে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চীনের জন্মহার ছিল নারী প্রতি ১.৭ এবং এখন এ বছরে তা ১.৪-এ চলে গিয়েছে বলে আশঙ্কা জাহির করা হচ্ছে। এর মানে হল যে, আগামী দিনে দুই চীনা স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে একটিই মাত্র সন্তানের জন্ম দেবেন, যার কারণে আগামী বছর গুলোতে তাদের জনসংখ্যা আরও দ্রুত হ্রাস পাবে।

আপাতত জনসংখ্যার ঘটনাটিও একটি বড় উদ্বেগের বিষয়, কারণ চীনের কাছে আজকের দিনে বড় বড় শিল্প রয়েছে আর সেগুলো পরিচালনা করার জন্য একটি কর্মীবাহিনী প্রয়োজন। এবং আগামী সময়ে বর্তমান লোকেরা যখন বৃদ্ধ হবে, তখন এই বড়বড় শিল্প চালনার জন্য তাঁদের তরুণদের প্রয়োজন হবে, যা তুলনামূলক ভাবে সেই সময় কম হবে। এক ধরনের গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, এমতাবস্থায় তারুণ্যের অভাবের কারণে চীনে শিল্পের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হতে পারে। অন্যদিকে বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার মতো যথেষ্ট যুবও থাকবে না।

তবে চীন এই সমস্যার দ্রুত তা মোকাবেলা করার চেষ্টাও করছে। অতি সম্প্রতি চীন তার এক সন্তান ও দুই সন্তান নীতি বাতিল করেছে। শুধু তাই নয়, সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, চীনে সন্তান জন্ম দেওয়ার জন্য সেখানকার সরকার জনগণকে ২৩ লক্ষ টাকা ঋণও দিচ্ছে, যার সুদের হার হবে খুবই কম। চীন তাঁদের জনগণকে এই ধরনের জনপ্রিয় উপায়ে আরও বেশি সন্তান নেওয়ার জন্য উত্সাহিত করছে, তবে চীনের জনগণ এখন একটি করে সন্তানের জন্ম দেওয়ার সঠিক সিদ্ধান্ত হিসাবে বিবেচনা করতে শুরু করেছে, কারণ এটি তাদের সংস্কৃতির একটি অংশ হয়ে উঠেছে।

FILE –

আগামী দশকগুলিতে ভারতের জনসংখ্যা আরও না বাড়লেও এটি স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে। এবং এমন পরিস্থিতিতে যুব সমাজের অভাব না থাকার কারণে ভারত ভবিষ্যতে উত্পাদন এবং শিল্পের কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।

[ad_2]