Press "Enter" to skip to content

পঞ্চায়েত ভোটে মনোনয়ন দিতে গেলে আর ফিরে যেতে পারবে না! প্রকাশ্যে হুমকি TMC নেতার


লাভপুরঃ বাংলায় ভোটে রাজনৈতিক হিংসা ‘আম বাত” হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-র ভোটে বিরোধীরা মনোনয়নই জমা দিতে পারেনি। আর এরপরেও গণনা কেন্দ্রে ঢুকে শাসক দলের (TMC) কর্মীদের ছাপ্পা দিতে দেখা গিয়েছিল। রাজ্যের  বিরোধী দলের মতে, ২০১৮-র পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২০০-র বেশী মানুষ রাজনৈতিক হিংসার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন। যদিও, সরকার তা মানতে নারাজ। সরকার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মতে ‘ভোট অবাধ আর শান্তিপূর্ণ হয়েছিল”।

বছর দুয়েক মধ্যে রাজ্যে আবার পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে। আর সেই নির্বাচনের আগেই শাসক দলের দাপুটে নেতা বিরোধীদের চরম হুমকি দিয়ে আগেভাগেই বুঝিয়ে দিলেন যে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনও শান্তিপূর্ণ হবে না। বীরভূম জেলার সহ-সভাপতি আবদুল মান্নান বিরোধীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছাড়া অন্য কোনও দলের প্রার্থী মনোনয়ন যম দিতে গেলে আর বাড়ি ফিরবেন না।

প্রকাশ্যে বিরোধীদের এমন হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল নেতা একদিকে যেমন বিতর্কে জড়িয়ে গেলেন, তেমন এও বুঝিয়ে দিলেন যে, এবারের নির্বাচনও রক্তাক্ত হবে। আবদুল মান্নানের এই বিতর্কিত বয়ান প্রকাশ্যে আসতেই গত পঞ্চায়েত নির্বাচনের কথা মনে করিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করা শুরু করেছে বিজেপি। এছাড়াও ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস নিয়ে আবারও সরব হয় গেরুয়া ির।

সোমবার বীরভূমের লাভপুরের দ্বারকা গ্রামে তৃণমূলের বিধায়ককে সম্বর্ধনা দিতে পৌঁছে ছিলেন মান্নানসাহেব। ওনার ওই অনুষ্ঠানে বেশকিছু বিজেপি কর্মী দল ছেড়ে তৃণমূলে নাম লেখান। সেখানে ভাষণ দেওয়ার সময় মান্নানসাহেব বলেন, ‘ আজ যারা বিজেপি থেকে তৃণমূলে দিয়েছে, তাঁদের মধ্যে আর যেন বিজেপির সত্তা না থাকে।”

মান্নানসাহেব বলেন, আগামী ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। আমরা বুথে বুথে প্রার্থী ঠিক করে দেব। ওই ভোটে আমরা ওঁরা বলে কিছুই হবে না। সবাই তৃণমূলের প্রার্থী হবে। অন্য কোনও দলের কেউ মনোনয়ন জমা দিতে গেলে, তাহলে তাঁকে লাভপুর থেকে আর বাড়ি ফিরে যেতে হবে না।