Press "Enter" to skip to content

পশ্চিমি পোশাকে রাস্তায় বের হলেই চাবুক পেটা করছে তালিবান, আতঙ্কে পুরুষরাও


নয়া দিল্লিঃ আফগানিস্তানে কবজা করার পর সেখানকার সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার শুরু করেছে । বর্তমানে আফগানিস্তানের শাসকরা আফগানদের জিন্সের মতো পশ্চিমি পোশাক পরার জন্য রাস্তার মাঝেই চাবুক দিয়ে পিটোচ্ছে। ডেইলি মেলের রিপোর্ট অনুযায়ী, অনেক আফগান যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছে যে, অবমাননা করার অভিযোগ তুলে তালিবানরা জিন্স পরার জন্য তাঁদের পিটিয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে যে, কয়েকজন যুবক কাবুলের রাস্তায় তাঁর বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়েছিল, আর তখনি তালিবান তাঁদের সামনে চলে আসে। তালিবানরা চলে আসার পর কয়েকজন সেখান থেকে পালিয়ে যায়। কিন্তু বাকিদেরকে ধরে ফেলা হয়। এরপর ওই যুবকদের রাস্তাতেই ফেলে চাবুক আর বন্দুকের বাট দিয়ে মারে তালিবানরা।

https://platform.twitter.com/widgets.js

এক তালিবানি স্থানীয় পত্রিকা Etilaatroz কে জানিয়েছে যে, এখনো পুরুষদের জন্য ড্রেস কোড করা হয়নি। কিন্তু তাঁদের হাবভাবে এটুকু বোঝা যাচ্ছে যে, তালিবান পশ্চিমি পোশাককে অনুমতি দেবে না কারণ সেই পোশাক পরম্পরাগত আফগান পোশাকের থেকে অনেক আলাদা।

অন্যদিকে টেলিগ্রাফের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, দুই গুণ দাম বেড়ে যাওয়ার পরেও আফগানিস্তানে বোরখার চাহিদা তুঙ্গে। রিপোর্ট অনুযায়ী, Etilaatroz পত্রিকা তাঁদের সংবাদে ছেপেছে যে, তাঁদের একজন সাংবাদিককে গোটা শরীর ঢেকে রাখা গাউনের মতো আফগান পোশাক না পরার জন্য মারধর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৯৯০ সালে আফগানিস্তানে যখন তালিবানের শাসন ছিল তখনও পুরুষদের আফগান পোশাকই পরতে হত। আর আট বছরের ঊর্ধ্বে মেয়েদের বোরখা পরতে হত। তবে এবার যুব তালিবানিদের একটু ভিন্ন পোশাকে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই চশমা, টুপি আর জুতো পরে ঘুরছে। তালিবানি মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ এও দাবি করেছে যে, ২০ বছর আগের তালিবান আর এখনকার তালিবানের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে।