Press "Enter" to skip to content

পাঁচ বছর গেরুয়া শিবিরে নাচনকোঁদনের পর বিজেপিকে ‘বাঙালীর শত্রু” বলে দল ছাড়লেন সংখ্যালঘু নেতা


 ভোট চলে যেতেই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে বিজেপি। নির্বাচনের আগে ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতারা প্রতিদিনই বেসুরো হয়ে উঠছেন। সোনালী গুহ, সরলা মুর্মু, ভূষণ সিংহ, অমল আচার্য, দীপেন্দু বিশ্বাস এবং বাচ্চুরাম হাঁসদার মতো তৃণমূল নেতা-নেত্রীরা নির্বাচনের আগে দলে দলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, এখন তাঁরা আবার সেই দলে দলেই লাইন লাগিয়ে বিজেপি ছাড়ছেন।

আর এবার বিজেপি ত্যাগীদের মধ্যে আরও একজন দাপুটে নেতার নাম উঠে এল। তিনি হলেন, বিজেপির মানরিটি মোর্চার রাজ্যের সহকারী সভাপতি কাশেম আলি। কিছুদিন ধরেই কাশেমকে নিয়ে বিজেপিতে চরম গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। কদিন ধরেই কানাঘুষো হচ্ছিল যে, কাশেম আলি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন। আর এবার সেই গুঞ্জন সত্য প্রমাণিত হল। বিজেপি ছাড়লেন কাশেম আলি। তবে আগামী দিনে তিনি তৃণমূলে যোগ দেবেন কি না, সেটা এখনও জানা যায়নি।

শুধু বিজেপি ছেড়েই ক্ষান্ত থাকেন নি কাশেম আলি। রীতিমত তিনি বিজেপিকে বাংলা এবং বাঙালীর শত্রু বলেও আখ্যা দিয়েছেন। পাশাপাশি এও বলছেন যে, দিলীপ ঘোষ এবং শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি বাংলার সর্বনাশ ডেকে আনবে। এছাড়াও তিনি এই মহামারীর মধ্যে ে তৃণমূলের তিন বিধায়ক-মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় এবং মদন মিত্র সহ প্রাক্তন তৃণমূল নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়ের গ্রেফতারির বিরোধিতা করেছেন।

স্বভাবতই কাশেম আলির দলত্যাগ নির্বাচনের পর বিজেপির কাছে বড়সড় ঝটকা বলে প্রমাণিত হবে। কারণ কাশেম আলি সংখ্যালঘুদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ছিলেন, আর ওনার কারণে অনেক সংখ্যালঘুই বিজেপির দিকে ঝুঁকেছিল। তবে কাশেমবাবু আগামী দিনে তৃণমূলে যোগ দেবেন কি না, সেটা নিয়ে রহস্য রয়ে গেল। তবে তিনি নিজের বয়ানে এবং বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী করেছেন, আর ওনার এই বক্তব্যে এটা বোঝা গিয়েছে যে, তিনি তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন।