Press "Enter" to skip to content

পাকিস্তানেও লাগু হবে শরিয়া আইন, তালিবান নেতার ঘোষণায় বিপাকে ইমরান


নয়া  আফগানিস্তানে যে ের কবজা হয়ে গিয়েছে, সেটা আর কারও অজানা নেই। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এবং বিশেষজ্ঞদের মতে তালিবান পাকিস্তানের সহযোগিতা পেয়েই এই অসাধ্য সাধন করেছে। এমনকি আফগানিস্তান সরকারও বহুবার বলেছে যে, পাকিস্তান তালিবানের মাধ্যমে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে লড়ছে। অনেক বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তানকে এও পরামর্শ দিয়েছে যে, তাঁরা তালিবানের সমর্থন করলে তাঁদের ভবিষ্যৎ আরও খারাপ হবে। কিন্তু পাকিস্তান কার কথা শোনে? নিজেদের দিকে ওঠা সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দেয় পাকিস্তান।

অন্যদিকে একটি আধিকারিক বয়ানে ইমরানের দেশ জানায় যে, পাকিস্তান িওয়ালাদের দেশে শান্তিপূর্ণ সমাধানের সমর্থন করে। কিন্তু বিশ্বের কোথাও যদি তালিবানের জয়কে স্বাগত জানানো হয়ে থাকে, তাহলে সেই তালিকার শীর্ষে থাকবে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ। এমনকি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এও বলেছিলেন যে, দাসত্বর শিকল ছিঁড়ে বেরিয়েছে আফগানিস্তান।

কদিন আগে কাবুলের জেলে বন্দি তেহরিক-ই-তালিবান () এর জঙ্গি নেতা মৌলবি ফকির মহম্মদকে মুক্তি দেয় তালিবানরা। ছাড়া পাওয়ার পর ফকির মহম্মদ ইসলামিক আমিরাতের প্রতিষ্ঠা নিয়ে খুশিও জাহির করে। এবার ফকির আরও একধাপ এগিয়ে পাকিস্তানেও আফগানিস্তানের মতো ইসলামিক শাসন কায়েম করার ইচ্ছে প্রকাশ করেছে। তেহরিক-ই-তালিবান দ্বারা জারি করা একটি ভিডিওতে ফকির মহম্মদ জানায়, তাঁর লক্ষ্য পাকিস্তানেও ইসলামিক শরিয়া আইন লাগু করা।

আশরফ গনি সরকার বহু TTP জঙ্গিকে নিজের শাসনকালে জেলে বন্দি করেছিলেন। তাঁদের সবাইকেই এখন তালিবান মুক্ত করে দিয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে ফকিরের মুক্তি আফগানিস্তান আর পাকিস্তান দুজনের জন্যই ্তার বিষয়। কারণ, ফকিরের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক খুব একটা ভালো নয়। এখন প্রশ্ন উঠছে যে, ফকির এই বয়ান দিয়ে এটা বোঝাতে চাইছে কি যে, তালিবানের মতো তাঁরাও কোনও একসময় পাকিস্তান দখলের জন্য অভিযান চালাবে?