Press "Enter" to skip to content

পিএম মোদীর মোদীগিরিই খালিস্তানি সন্ত্রাসীদের তাঁদের অউকাত বুঝিয়েছে

নয়া ঃ ভারতে হিন্দুদের পাশাপাশি যারা শিখদের উন্নতির কথা ভাবেন, তাদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নাম সবার প্রথমে উঠে আসে। শিখদের জন্য নরেন্দ্র মোদী যে কাজ করেছেন তা অদ্বিতীয়, কিন্তু এরপরেও খালিস্তানি এজেন্ডাধারী সংগঠনগুলো প্রধানমন্ত্রীকে খারাপ আখ্যা দিয়ে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছে।
সম্প্রতি, প্রধানমন্ত্রী রবিবার ‘গুরু পর্ব’ অর্থাৎ গুরু গোবিন্দ সিং-র জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে একটি বড় ঘোষণা করেছেন। পিএম মোদী তার টুইটার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ধর্মের চার সাহেবজাদের (গুরু গোবিন্দ সিং-এর পুত্র: অজিত সিং, জুজহার সিং, জোরওয়ার সিং এবং ফতেহ সিং) এর বীরত্বকে সম্মান জানিয়ে এখন থেকে ২৬ ডিসেম্বর বীর বাল দিবস উদযাপন করার ঘোষণা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর টুইটে লিখেছিলেন, “আজ, শ্রী গুরু গোবিন্দ সিং জির প্রকাশ পর্বের শুভ উপলক্ষে, আমি গর্বিতভাবে জানাচ্ছি যে এই বছর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ‘বীর বাল দিবস’ হিসেবে পালিত হবে। এটি সাহেবজাদাদের সাহস এবং ন্যায়বিচারের জন্য একটি উপযুক্ত শ্রদ্ধা,”

আপনাদের বলে দি যে, এই সিদ্ধান্তের পরেই শিরোমণি গুরুদ্বার প্রবন্ধক কমিটি রবিবার দ্বারা দশম শিখ গুরু গোবিন্দ সিং-র ছোট সাহেবজাদাদের বীরত্বের সম্মানে ‘বাল বীর দিবস’ উদযাপনে আপত্তি জানিয়েছে। এই পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে SGPC সভাপতি হরজিন্দর সিং ধামি বলেছেন, “এই শহীদ দিবসকে ‘বাল বীর দিবস’ বলা যাবে না কারণ এটি গুরমত (শিখ নীতি) অনুসারে নয়। শিখ ধর্মে সাহেবজাদাদের উচ্চ মর্যাদা রয়েছে। এই শব্দটি শহীদদের জন্য উপযুক্ত নয়।

যদিও, কিছু শিখ সংগঠন প্রধানমন্ত্রী মোদীর পদক্ষেপের প্রশংসা করে বলেছে, “প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা প্রশংসনীয় এবং দশম গুরু এবং তার পুত্রদের অনন্য বীরত্ব নিয়ে বিশ্বকে সচেতন করার জন্য একটি দুর্দান্ত প্রচেষ্টা।” প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা সাহিবজাদেকে যথাযথ সম্মান দেওয়ার পর থেকে খালিস্তানিরা অবাক হয়ে গিএয়ছে। এমতাবস্থায় বলা যায়, প্রধানমন্ত্রী মোদীর মোদীগিরি এবং তার ঘোষণা খালিস্তানি চরমপন্থীদের চিন্তায় ফেলে দিয়েছে।