Press "Enter" to skip to content

পুজোয় অনুদান নিয়ে হাইকোর্টের পাঁচটি প্রশ্নে বিপাকে মমতা সরকার! ৫০ হাজার টাকা বিলি নিয়ে ঘনাল আশঙ্কার মেঘ


কলকাতাঃ দুর্গা পুজো কমিটি গুলোকে আর্থিক অনুদান দেওয়া নিয়ে মমতা ব্যানার্জীর () সিদ্ধান্তে কলকাতা হাইকোর্ট () বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। জানিয়ে দিই, কিছুদিন আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের পুজো কমিটি গুলোকে ৫০ হাজার করে আর্থিক অনুদান দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্ট বৃহস্পতিবার সিটু নেতার আবেদনে শুনানির সময় রাজ্য সরকারের মনোভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিচারক সঞ্জীব ব্যানার্জী এবং অরিজিত ব্যানার্জীর সাংবিধানিক বেঞ্চ দ্বারা এই মামলায় আবারও শুনানি হবে।

কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে রাজ্য সরকারকে জিজ্ঞাসা করা প্রশ্ন

  • কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে জিজ্ঞাসা করেছে যে, সরকার শুধু দুর্গা পুজোর জন্যই অনুদান দেবে? অন্য উৎসবের জন্য না? সরকার কি ঈদের জন্য অনুদান ঘোষণা করেছে?
  • আমরা দুর্গা পুজো নিয়ে গর্ব করি, কিন্তু এরকম গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার এরকম অনুদান কীভাবে পেশ করতে পারে?
  • সরকার বলছে এই টাকা মাস্ক, স্যানিটাইজার কেনার জন্য দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু সরকার সরাসরি টাকা না দিয়ে মাস্ক, স্যানিটাইজার কিনে দান করলেও তো অনেক টাকা বেঁচে যেত!
  • মহামারীর কারণে স্কুল কলেজ বন্ধ, এরকম পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার দুর্গা পুজোর অনুমতি কি করে দিচ্ছে?
  • যদি পুলিশ ব্লু প্রিন্ট তৈরি করবে, দুর্গা পুজোর ব্যবস্থা করবে, ভিড় কন্ট্রোল করবে, সবাইকে করোনা প্রোটোকল পালন করার জন্য বাধ্য করবে। তাহলে পুলিশই যখন সবকিছু করবে, তাহলে সরকারি অনুদান পুজো কমিটি গুলোকে কেনও দেওয়া হচ্ছে?

করোনার পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে মমতা ব্যানার্জী পুজো কমিটি গুলোকে ৫০ হাজার করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। ২ হাজার ৫০০ এর বেশি পুজো কলকাতাতেই হয়, এছাড়াও গোটা জুড়ে লক্ষ লক্ষ ছোট বড় পুজোর আয়োজন করা হয়ে থাকে। একদিকে মমতা ব্যানার্জী যেমন নির্বাচনের আগে পুজো কমিটি গুলোকে আর্থিক অনুদান দিয়ে মাস্টার স্ট্রোক দিয়েছেন। তেমনই আরেকদিকে তিনি এই সিদ্ধান্তের জন্য অনেক সমালোচিতও হয়েছেন। অনেকেরই প্রশ্ন, করোনা আর আমফানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে ঠিকঠাক ভাবে সাহাজ্য না করে সরকার কীভাবে এরকম অনুদানের ঘোষণা করতে পারে?