Press "Enter" to skip to content

পুনরায় জাতিসংঘের গুডবুকে ভারত, সেরা পর্যটন গ্রামের তালিকায় জায়গা করে নিল ৩ টি গ্রাম


জাতিসংঘের সেরা পর্যটন গ্রামের (UNWTO) তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে ভারতের (india) তিনটি গ্রাম। মেঘালয়ের কংথং গ্রাম, ের লধপুরা খাস এবং েঙ্গানার পোচামপল্লি। মধ্যপ্রদেশের নিওয়ারি জেলার লধপুরা খাসকে জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থা (UNWTO) ‘সেরা পর্যটন গ্রাম’ বিভাগে মনোনীত করেছেন।

মধ্যপ্রদেশ পর্যটন ও ি বিভাগের প্রধান সচিব শেও শেখর শুক্লা এক বিবৃতিতে বলেছেন, “কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রক জাতিসংঘের বিশ্ব পর্যটন সংস্থার পুরস্কারের জন্য সেরা পর্যটন গ্রাম শ্রেণীর আওতায় ওরচারের নিকটবর্তী লধপুরা খাস গ্রামকে মনোনীত করেছে। এর পাশাপাশি মেঘালয় ও তেলেঙ্গানা থেকে দুটি গ্রাম মনোনীত হয়েছে।” তিনি আরও বলেছেন,’ গ্রামীণ পর্যটন প্রকল্প’-কে নয়া মাত্রা দিতে গ্রামীণ পর্যটনের ধারণাকে নয়া রূপরেখা দেওয়ার লক্ষ্যে লধপুরা খাস সহ বিভিন্ন রাজ্য জুড়ে গ্রামাঞ্চলগুলিকে সাজানো শুরু হয়েছে।

আগামী পাঁচ বছরে গ্রামীণ পর্যটনের দৃষ্টিকোণ বজায় রেখে আর‌ও ১০০ টি গ্রাম গড়ে তোলা হবে। এর মধ্যে ওরচা, খাজুরাহো, মান্ডু, সাঁচি, পাঁচমারী, তামিয়া, পান্না ন্যাশনাল সহ পর্যটন স্থানগুলির আশেপাশে উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা হবে। পার্ক, বাঁধবগড় জাতীয় উদ্যান, সঞ্জয় দুবরি জাতীয় উদ্যান, পেঞ্চ এবং কানহা জাতীয় উদ্যান ইত্যাদিগুলিকে সাজানো হবে।

শুক্লা বলেছেন, গ্রামীণ পর্যটন প্রকল্প স্থানীয় লোকদের স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্ব বজায় রেখে পর্যটকদের আগ্রহ ও চাহিদা সম্পর্কে বহু অজানা তথ্য জানার সুযোগ করে দেবে। তিনি একথাও বলেছেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠী সরাসরি নিজ নিজ এলাকার পর্যটন উন্নয়নে উপকৃত হবে। এমপি ট্যুরিজম বোর্ড কমিউনিটির অংশগ্রহণে পর্যটন-সম্পর্কিত পণ্য বিকাশের প্রশিক্ষণও দেওয়া হচ্ছে।

মধ্যপ্রদেশের পর্যটন দপ্তরের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং লধপুরা খাস গ্রামকে ‘সেরা পর্যটন গ্রাম’ হিসেবে মনোনীত করার জন্য গর্ববোধ করেছেন।

হিমালয়ের কোলে অবস্থিত মেঘালয়ের সাফল্যে মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা টুইট বার্তায় বলেছেন, জাতিসংঘের সেরা পর্যটন গ্রামের তালিকায় ভারতের আরও দুটি গ্রামের সঙ্গে, মেঘালয়ের কংথং গ্রাম জায়গা করে নিয়েছে। রাজধানী শিলং থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে এই গ্রাম এবং এই গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং স্থানীয় ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রর্দশন পর্যটকদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। এই গ্রামকে ‘হুইসলিং ভিলেজ’ নামেও পরিচিত।