Press "Enter" to skip to content

পুলিশে ৫০ জনের মধ্যে ৪৮ জনই বিশেষ সম্প্রদায়ের, নিয়োগ দুর্নীতিতে হাইকোর্টে ধাক্কা খেল রাজ্য


 দুর্নীতির অভিে লাগাতার হাইকোর্টে একের পর এক সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে রাজ্য সরকারকে। কয়েকদিন আগেই ত্রান দুর্নীতি নিয়ে সরকারকে ের কড়া প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ফের একবার এদিন ‘সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগে দুর্নীতি’ মামলা শুনানি শুরু হল হাইকোর্টে। বিচারপতি রাজেশ বিন্দাল ও রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চের সামনে অভিযোগ তোলা হয়েছে প্রবল দুর্নীতি হয়েছে রাজ্যের এই সাব-ইন্সপেক্টর নিয়োগের ক্ষেত্রে। এমনকি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যে নিয়মের উল্লেখ ছিল তার ১০০ তম রুলটি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ।

ইতিমধ্যেই হাইকোর্ট এবিষয়ে রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। জানা গেছে মামলাকারীদের অভিযোগ ২০১৯ সালে রাজ্য পুলিশের প্রায় ৫০ টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য যে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়, তার ভিত্তিতে মেধা তালিকা প্রকাশের সময় দেখা গিয়েছে ৪৮ জন প্রার্থীই একটি সম্প্রদায়ের। মামলাকারীর অভিযোগ শোনার পর দুর্নীতি প্রসঙ্গে রাজ্যকে হলফনামা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এই মামলার আগামী শুনানি রয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর।

বিশ্লেষকদের মতে, মামলাকারীরা তাদের পিটিশনে যে বিশেষ সম্প্রদায়ের দিকে ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন তা হতে পারে সম্প্রদায়। কারণ পশ্চিমবঙ্গ ের ওবিসি ক্যাটাগরিতে দুটি ভাগ রয়েছে ‘এ’ এবং ‘বি’। এ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ৮১ টি সম্প্রদায়। এদের জন্য রয়েছে ৭%। অন্যদিকে ‘বি’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে ৯৭ টি সম্প্রদায়। যাদের বেশিরভাগই মুসলিম। এ ‘বি’ ক্যাটাগরির জন্য সংরক্ষণ রয়েছে ১০%।

হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের কাছে বুধবার মামলাকারীরা যে পিটিশন জমা দেন তাতে সরাসরি বলা হয়েছে, পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়গুলিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে রাজ্য সরকার অনেক কিছু করেছেন বলে শোনা যায়। কিন্তু বাস্তবে দেখতে গেলে চূড়ান্ত অনিয়ম চলছে চাকরির ক্ষেত্রে।