Press "Enter" to skip to content

প্রতিটি মন্দিরের দেখভালের দায়িত্ব নেবে যোগী সরকার, প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে দেওয়া হল সমিক্ষার দায়িত্ব

ী আদিত্যনাথ সরকার উত্তরপ্রদেশের গুলি পুনরায় রক্ষনা বেক্ষনের নির্দেশনা দিয়েছেন।  প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের লোকেরা এই দায়িত্ব বিয়েছেন। প্রয়াগরাজসহ আশেপাশের জেলাগুলিতে  যে মন্দিরের স্থিতি, তাদের গুরুত্ব, মালিকানা এবং তাদের অধীনে সম্পত্তি বাদে শিল্পী, মহাপুরুষদের তালিকাভুক্ত করে একটি তালিকাও প্রস্তুত করা হবে।  ইতিমধ্এযেই এখানে অবস্থিত মন্দিরগুলির সমীক্ষা শুরু করা হয়েছে। ১৮৫৭ সালের মন্দির এবং অন্যটি তীর্থস্থান এরকম আরও অনেক নিদরসশন আছে এখানে।

রাজ্যে মন্দিরগুলির তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে।এতে দুটি ধরণের মন্দির জরিপ করা হচ্ছে।  প্রয়াগরাজ ছাড়াও বিখ্যাত বৌদ্ধ নগরী কৌশাম্বি প্রভু শ্রীের সাথে যুক্ত ফতেহপুরের প্রতাপগড়ের চিত্রকূট প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক জরিপকরা হবে বলে জানা গিয়েছে। এই মন্দিরগুলি তালিকাভুক্ত করার পরে, তাদের সুরক্ষা এবং পুনর্জীবনের দিকনির্দেশে কাজ করা হবে। পৌরাণিক যুগের মন্দির, মূর্তি এবং তীর্থস্থানগুলি ছাড়াও জৈন ও বুদ্ধের মূর্তিগুলিও তালিকাভুক্ত করা হবে।  এমনকি মন্দিরের সাথে সাথে মূর্তিগুলি সংখ্যার পরে, তাদের ডেটা বেস প্রস্তুত করা হবে।

মূল্যবান নিদর্শনগুলির সমন্বয়ক ডঃ লাভকুশ দ্বিী বলেছিলেন যে মন্দির ও তীর্থস্থানগুলির সমীক্ষার দায়িত্ব রাজ্য জুড়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগকে দেওয়া হয়েছে।  আর সুবিধার জন্ব্যয পরে ব্যাক্তিগত মালিকানাধীন মন্দিরগুলির বিবরণও সংগ্রহ করা হবে।

সুবিধার জন্যই এই মন্দির, মূর্তি চিহ্নিত করা হচ্ছে। প্রয়াগরাজের পৌরাণিক ও দুর্লভ মূর্তি ছাড়াও মন্দিরগুলি নাগবাসুকি, দ্বাদশ মাধব, দুর্বাস আশ্রম, ভরদ্বজ মুনি আশ্রম, দুর্গ এবং রাজা উদয়নর বৌদ্ধ মূর্তি এবং স্তূপগুলি আন্ডার প্রথম জৈন তীর্থঙ্কর তালিকাভুক্ত করা হবে।মন্দিরগুলির তালিকা দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।