Press "Enter" to skip to content

প্রবল চাপের মুখে জিনপিং, ভারত আমেরিকার পর এবার ইউরোপের দেশগুলোতেও খাচ্ছে লাথি-ঝাঁটা


নয়া দিল্লীঃ  () আর ের () সাথে সম্পর্কে ফাটল ধরার পর এবার ইউরোপকে নিজের কাছে আনার চেষ্টা ব্যর্থ হচ্ছে চীনের। গত সপ্তাহে পাঁচটি ইউরোপিয় দেশের সফরে যাওয়া চীনের বিদেশ মন্ত্রী জনতার আক্রোশের মুখে পড়েন। এছাড়াও ইউরোপিয়ান রাষ্ট্রধ্যক্ষদের সাথে জৌলুসহীন অনলাইন সাক্ষাৎ হয় চীনা শাসক () এর। বিশেষজ্ঞদের মতে আগের বিনিয়োগ চুক্তি জিনপিংয়ের পক্ষেই ছিল, কিন্তু এবার ওনার নীতি আর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে ইউরোপের দেশ গুলো বেশ ক্ষুব্ধ।

FILE –

সেখানকার জনতা, নেতা আর বুদ্ধিজীবীরা শুধু হংকং আর তাইওয়ানের সমর্থনই করছে না, চীনের নেতাদের তীব্র সমালোচনাও করছে। আর সেই কারণে আমেরিকার সাথে খারাপ সম্পর্কের পর ইউরোপের সাথে নতুন করে ব্যবসা পেতে নিজেদের আর্থিক অবস্থা শোধরানোর প্রচেষ্টা করা চীনের শাসক জিনপিংয়ের স্বপ্ন ভাঙতে চলেছে।

এমাসে তাইওয়ান সফরে যাওয়া চেক প্রজাতন্ত্রের এক নেতাকে ধমক দেওয়ার পর চীনের বিদেশ মন্ত্রী ইউরোপে পৌঁছায়, আর সেখানে গিয়ে ওনাকে জনরোষের সন্মুখিন হতে হয়। ইউরোপের বাসিন্দারা চীনের বিদেশ মন্ত্রীকে অপশব্দ পর্যন্ত বলে ফেলে। আর এর থেকেই বোঝা যায় যে, ইউরোপের দেশ গুলোতে চীনের কদর আর আগের মতো নেই। প্যারাগুয়ের জেলা মেয়র পাভেল নোভিত্নি চীনের বিদেশ মন্ত্রীকে এও বলেন যে, আপনার লজ্জা পাওয়া উচিৎ। পাভেল চীনাদের বিবেকহীন আর জোকার পর্যন্ত বলেন। এর সাথে সাথে তিনি গোটা বিশ্বের কাছে চীনকে ক্ষমাও চাইতে বলেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে ইউরোপের বদলে যাওয়া মানসিকতা জিনপিংয়ের সামনে কড়া চ্যালেঞ্জ আনতে পারে। এটি তাদের অর্থনীতির স্বল্পমেয়াদী বিকাশকে দুর্বল করতে পারে কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপকে চীনে বিনিয়োগ করতে বাধা দিচ্ছে। একই সাথে, দীর্ঘমেয়াদে বিশ্বের ব্যবসা ও প্রশাসনের ক্ষেত্রে আমেরিকার বিকল্প হয়ে উঠার জিনপিংয়ের উচ্চাভিলাষও ভেঙে যেতে পারে।