Press "Enter" to skip to content

ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টে হবে হাথরস কান্ডের বিচার! গঠন করা হয়েছে SIT

হাথরস কান্ড নিয়ে পুরো দেশজুড়ে উত্তরপ্রদেশের পুলিশের বিরুদ্ধে এবং দেশের আইন কানুনের বিষয়ে আওয়াজ উঠতে শুরু হয়েছে। বুধবার ভোরে নির্যাতিতার শবদেহের শেষকৃত্য তার পিতার দ্বারা সম্পন্ন হয়। তবে পরিবারের অভিযোগ যে পুলিশ তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে এই কাজ করেছে। পরিবার সকালে শেষকৃত্য করতে চেয়েছিল। অন্যদিকে পুলিশ দাবি করেছিল যে ২৪ ঘন্টা হয়ে যাওয়ায় শবদেহে পচন ধরছিল। এই কারণে ভোরে শেষকৃত্য করে দেওয়া হয়।

ঘটনার তদন্তের জন্য SIT গঠন করা হয়েছে এবং ৭ দিনের মধ্যে তারা রিপোর্ট পেশ করবে বলে জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। কিছুজন দাবি করেছিলেন যে ধর্ষনের সময় নির্যাতিতার মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হয়েছিল, চোখ নষ্ট করা হয়েছিল এবং জিভ কেটে দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ এই বিষয়ে বলেছে যে গলা টেপার দরুন নির্যাতিতা শরীরে কিছু আঘাত এসেছে। পুলিশের আরো দাবি যে, প্রাথমিক মেডিক্যাল রিপোর্টে ধর্ষণের কোনো চিন্হ পাওয়া যায়নি।

পুলিশ জানিয়েছে ঘটনা ১৪ সেপ্টেম্বরের। নির্যাতিতার ভাই পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিল যে ১৯ বর্ষীয় যুবতী ও তার মা মাঠে কাজ করছিল। তখন তার গলা টিপে হত্যা করার জন্য আক্রমন করা হয়। যুবতী গম্ভীরভাবে আহত ছিল তাই তাকে আলীগড়ের জহরলাল নেহেরু মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করানো হয়। এরপর পুলিশ তদন্ত শুরু করে সন্দীপ নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

পুলিশ আরো জানিয়েছেন, নির্যাতিতা নিজে বয়ান দিয়ে বলেছে যে তার ধর্ষণ করা হয়েছে। যুবতীর অবস্থার উন্নতির না হওয়ায় তাকে দিল্লীর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে যুবতীর প্রান ত্যাগ করে। এখন পুলিশ ৪ অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করেছে। মামলাটিকে ফাস্টট্রাক কোর্টে চালানো হবে বলে জানা গেছে। উত্তরপ্রদেশ সরকার নির্যাতিতার পরিবারকে ২৫ লক্ষ টাকা প্রদানের ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নির্যাতিতার পরিবারের সাথে কথা বলেছেন। ঘটনার পর পুলিশ রীতিমতো প্রশ্নের মুখে পড়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া মানুষজন পুলিশের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদী ঘটনা প্রসঙ্গে যোগী আদিত্যনাথের সাথে কথা বলেছেন এবং কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।