Press "Enter" to skip to content

বাংলাদেশের ঘটনা ‘হিন্দু-মুসলিম’ ইস্যু নয়- শেখ হাসিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ফিরহাদ হাকিম

[ad_1]

দুর্গাপুজোর অষ্টমীর দিন বাংলাদেশের (Bangladesh) কুমিল্লায় নানুয়া দিঘির পাড়ে একটি পূজা মন্ডপ ভাঙচুরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল হয়ে উঠে সমগ্র বাংলাদেশ। যার জেরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক মণ্ডপে ভাঙচুর চালানো হয়। বহু হিন্দু পরিবার আগুন জ্বালিয়ে ভষ্মীভূত করে দেওয়া হয়েছে। এমনকি ইস্কনেও করা হয়েছে আক্রমণ। এখানেই শেষ নয় ফেনী জেলায় কালীমন্দির সহ একাধিক মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয় এবং বিগ্রহ ভেঙে দেওয়া হয়েছে। উগ্রপন্থীদের এই হিংস্রতার হাত থেকে রেহাই পায়নি ১০ বছরের শিশু কন্যাও। বারবার গণধর্ষণের শিকার ওই শিশুকন্যার অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটেছে।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর এই নৃশংস অত্যাচারে ভারতের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি সরব হয়েছেন। কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এমনকি দিলীপ ঘোষও মুখ খুলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খোলা চিঠি লিখে বিস্তারিত জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন দিক থেকে চাপ সৃষ্টির ফলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই ঘটনার নিন্দা করে বলেন, দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে কিন্তু তার মুখের কথা বাস্তবায়িত হয়নি। শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর নোয়াখালির ইস্কন মন্দিরে ভাঙচুর করা হয় এবং নিহত হয় ২ জন।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর এই নৃশংস অত্যাচারকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মনে করেছেন কলকাতার পুর- প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম। তিনি এই ঘটনাগুলোকে হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে বিভেদ তৈরির কারণ হিসেবে দেখতে চাইছেন না। তিনি জানিয়েছেন, এতো অস্থির হওয়ার কোন‌ও কারণ নেই। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেখানকার সাম্প্রতিক ঘটনাবলী ভালোভাবেই মোকাবিলা করছেন।

তাঁর মনে হয়েছে, এটা কোনোভাবেই হিন্দু-মুসলমান সংঘর্ষ নয়। এমন ঘটনা কোন‌ও ধর্মের মানুষ ঘটাতে পারেই না। যারা ধর্ম বোঝে না, তারাই এমন কাজ করতে পারে। অপরাধী সেই অজ্ঞ ব্যক্তিরা। তিনি আশাবাদী, হাসিনা সরকার এ বিষয়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ নেবেন।

[ad_2]