Press "Enter" to skip to content

বাংলাদেশে ফের হিন্দু নিধনের ছক, এবার পুজো মণ্ডপে কোরান রাখতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল মিজান


কলকাতাঃ গত অক্টোবর মাসে শুধুমাত্র ষড়যন্ত্র করে ের (Bangladesh) হিন্দুদের উপর অকথ্য অত্যাচার চালিয়েছিল মৌলবাদীরা। বাঙালীদের শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো বন্ধ করার ছকে মণ্ডপে কোরান রেখে হিন্দুদের বিরুদ্ধে ইসলাম অবমাননার অভি তুলেছিল উন্মাদীরা। এরপর একের পর এক দুর্গা মণ্ডপে চলে ভাঙচুর, লুঠপাট। এমনকি ইস্কন মন্দিরেও হামলা চালায় মৌলবাদীরা।

ইস্কনের মন্দিরে হামলা চালিয়ে সেখানকার এক সদস্যকে হত্যা করে পুকুরেও ভাসিয়ে দেয় তাঁরা। মন্দিরে চলে ভাঙচুর। থেকে শুরু হওয়া এই ধ্বংসলীলা ছড়িয়ে পড়ে গোটা বাংলাদেশে। মন্দির, পুজো মণ্ডপের পর হিন্দুদের বাড়িতেও হামলা চালায় তাঁরা। মৌলবাদীদের এই হামলায় একাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু প্রাণ হারান।

এরপর বাংলাদেশ পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্তে নেমে উদ্ধার করে মূল দোষীকে সনাক্ত করে গ্রেফতার করে। তদন্তে জানা যায় যে, মূল দোষী কোনও সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ভুক্ত না। সে বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের মানুষ। আর তাঁর করা কাজের কারণে হিন্দুদের উপর শাস্তির খাড়া নেমে আসে।

আর এবার ঠিক একই কাজ করতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ল বাংলাদেশের সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের এক যুবক। সেও কুমিল্লার মতোই পুজো মণ্ডপে কোরান রাখতে গিয়েছিল। তবে তাঁর ষড়যন্ত্র সফল হওয়ার আগেই সেখানকার মানুষ তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলায় এবার অল্পের জন্য রক্ষা পায় হিন্দুরা।

প্রাপ্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশের হবিবগঞ্জে ২৫ বছর বয়সী মিজান নামের এক যুবক একটি পুজো মণ্ডপে কোরান রেখে আসতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ে। শুক্রবার হাবিবগঞ্জ শহরের চৌধুরী বাজারের একটি পুজো মণ্ডপে কোরান নিয়ে ঢুকতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে মিজান। এরপর স্থানীয়রা তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘক্ষণ ধরেই ওই যুবককে মণ্ডপের পাশে ঘোরাফেরা করতে দেখা যাচ্ছিল। তাঁর হাতে ছিল একটি ব্যাগ।

স্থানীয়রা তাঁর উপর প্রথম থেকেই নজর রাখছিল বলে জানান। এরপর মিজান নামের ওই যুবক ব্যাগ হাতে মণ্ডপে ঢুকতে গেলেই তাঁকে বাধা দেয় স্থানীয়রা। তাঁকে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় কোরান। এরপর পুলিশ ডেকে মিজানকে তাঁদের হাতে তুলে দেন স্থানীয়রা। পুলিশের জেরায় মিজান তাঁর বাড়ি নোয়াখালিতে বলে জানিয়েছেন। পুলিশ দাবি করেছে যে, ওই মিজান নামের যুবক মানসিক ভারসম্যহীন। বলে দিই, কুমিল্লা কাণ্ডের খোলাসা হওয়ার পরও দোষী যুবককে মানসিক ভারসম্যহীন বলে দাবি করা হয়েছিল।