Press "Enter" to skip to content

বাংলায় হুহু করে বাড়ছে নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা! ২১ এর আগে চরম চাপে তৃণমূল

এরাজ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে প্রধানমন্ত্রী ()। ওনার থেকে অনেক পিছিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ()। এরকমই এক সমীক্ষা ের () ঘুম উড়িয়েছে। বাংলায় ক্ষমতা ধরে রাখতে সিএএ বিরোধী আন্দোলন দিয়ে ঘুঁটি সাজানো শুরু করেছিল । এরপর বিধানসভা উপনির্বাচনেও বিজেপিকে চারিদিকে হারিয়ে নিজেদের ঘাঁটি শক্ত করেছিল তৃণমূল। কিন্তু করোনা আর আমফানের পর রাজ্যে মমতা ব্যানার্জীর জনপ্রিয়তা ফিকে হয়ে পড়েছে। রাজ্যবাসী এখন মোদী বন্দনায় ব্যস্ত। এরকমই সমীক্ষা সামনে এনেছে আইএনএস-সি ভোটার।

গত বছর ডিসেম্বর মাস থেকে এরাজ্য সমেত গোটা দেশে শুরু হয়েছিল সিএএ বিরোধী আন্দোলন। এমনকি মমতা ব্যানার্জী নিজে রাস্তায় নেমে ব্যাক-টু-ব্যাক মিছিল করেছিলেন সিএএ-এর বিরুদ্ধে। সিএএ নিয়ে সমেত গোটা দেশেই অনেক হিংসাত্মক আন্দোলন দেখা গিয়েছে। কিন্তু সেই আন্দোলন শান্ত হলেও এখনো শান্ত হয়নি দেশ। সিএএ বিরোধী আন্দোলনের পর করোনার সঙ্কট শুরু হয়েছে দেশে। বিরোধী দল গুলোর আশা ছিল সিএএ বিরোধী আন্দোলনের জেরে দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা কমে যাবে। কিন্তু আদতে ঠিক এর উল্টোটা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ৬৪.০৬ শতাংশ মানুষ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাজে সন্তুষ্ট। আর এই সমীক্ষার ফলাফল সামনে আসতেই চিন্তার ভাজ পড়েছে মমতা ব্যানার্জীর কপালে। শুধু বাংলাই না, জম্মু কাশ্মীরেও হুহু করে বাড়ছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জনপ্রিয়তা। সেখানে ৫০% মানুষ নরেন্দ্র মোদীর উপরেই আস্থা রাখছেন।

হিমাচল প্রদেশে সবথেকে বেশি মানুষ পছন্দ করছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। সেখানে ৯৫% মানুষই মোদীর পাশে দাঁড়িয়ে। তবে বিহারে মুখ থুবড়ে পড়েছে মোদীর জনপ্রিয়তা। এছাড়াও উড়িষ্যা, ছত্তিসগড়েও নরেন্দ্র মোদীর নামে ডঙ্কা বাজছে।

কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানে প্রধানমন্ত্রী মোদীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। সেখানকার ৬৮.৮৪ শতাংশ মানুষের প্রথম পছন্দ হলেন নরেন্দ্র মোদী। তবে দক্ষিণের রাজ্য কেরল আর তামিলনাড়ুতে তলানিতে ঠেকেছে মোদীর জনপ্রিয়তায়। সেখানে ৩২.৮৯ শতাংশ আর ৩২.১৫ শতাংশ মানুষই নরেন্দ্র মোদীর উপর ভরসা রাখছেন।