Press "Enter" to skip to content

বাবরি ধ্বংসের কারণে দিতে হয়েছিল ইস্তফা, তবুও অনুশোচনা ছিল না রাম ভক্ত কল্যাণের

লখনউঃ বাবরি মসজিদ (বর্তমানে ) দেশের রাজনীতির দিক থেকে অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয়বস্তু ছিল। একদিকে যেমন বিজেপি এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি বাবরি মসজিদের জায়গায় রাম মন্দির দেখতে চেয়েছিল। তেমনই অন্যদিকে দেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক দলগুলি এবং সম্প্রদায় বাবরি মসজিদ ভেঙে রাম মন্দির গড়ার বিপক্ষে ছিল।

১৯৯২ সালেএ ৬ ডিসেম্বর রাম মন্দির আন্দোলনের মাধ্যমে ায় হাজার হাজার করসেবক বাবরি মসজিদের দিকে কুচ করে সেটি ধ্বংস করে দেয়। সেই সময় উত্তর প্রদেশের তৎকালীন ছিলেন কল্যাণ সিংহ। ৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ সালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনার পর উত্তরপ্রদেশে রাষ্ট্রপতি শাসন লাগু করে কল্যাণ সিংকে গদিচ্যুত করা হয়।

বিরাট রামভক্ত হিসেবে খ্যাত কল্যাণ সিংহ বাবরি বিধ্বংসের ঘটনার পর রাতারাতি নায়ক হয়ে যান। মুখ্যমন্ত্রী পদ যাওয়ার পর ঘটনা নিয়ে অনুশোচনার বদলে গর্ববোধ করতেন কল্যাণ সিংহ। বিরাট রামভক্ত থেকে রাম মন্দির আন্দোলনের নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। আর এরপর থেকেই রাম মন্দির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে হিন্দু, হিন্দুত্বর উপর ভর করে গোটা ভারতে বিজেপির উত্থান হতে থাকে।

তাঁকে নিয়ে নানান আলোচনা সমালোচনা হলেও তিনি কোনদিনই তাতে কান দিতে রাজি হননি। একদা কল্যাণ সিং বলেছিলেন, আমি যখন মরব তখন যেন আমার দেহ বিজেপির পতাকায় মুড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক সমস্যায় ভুগে অবশেষে শনিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রাম ভক্ত কল্যাণ সিংহ।

কল্যাণ সিংয়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী এবং উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, নেত্রীরা শোক প্রকাশ করেছেন। উত্তর প্রদেশে তিনদিনের জাতীয় শোক পালনের ঘোষণাও হয়েছে।