Press "Enter" to skip to content

বিরোধী তো দূর এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীও ছাড় পেলেন না যোগী আদিত্যনাথের সিদ্ধান্ত থেকে।

এমন একজন ব্যাক্তি যিনি নিজের সার্থ ছাড়াই দেশের জন্য কাজ করে চলেছেন। অন্যদিকে , মায়াবতীর মতো নেতা নেত্রীরা নিজেদের পরিবারের সমস্থ সদস্যদের রাজনীতিতে ঢুকিয়ে উত্তপ্রদেশের টাকা লুটবার জন্য নেমে পড়েছেন। আপনাদের জানিয়ে রাখি আখিলেশের যাদব প্রদেশে একটা নতুন নিয়ম বিল পাস করেছিল। সেই অনুযায়ী যেকোনো প্রাক্তন বাংলো পাবেন। কিন্তু যোগী আদিত্যনাথের সরকার আসার পর এই নিয়মের সমাপ্তি ঘটায়। আপনাদের জানিয়ে রাখি, সম্প্ৰতি যোগী আদিত্যনাথ ের সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীদের নির্দেশ পাঠিয়েছেন বাংলো খালি করার জন্য। যোগী সরকার এর জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের ১৫ দিনের সময়ও দিয়েছেন। জানিয়ে রাখি, সরকারি বাংলোগুলিতে থাকার জন্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীরা বছরে মাত্র ৪০০০ টাকা সরকারকে দিতেন যা ওই বিশাল বাংলোর ক্ষেত্রে খুবই কম।

জানলে অবাক হবেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুলায়ম সিং যাদব এই বিষয় নিয়ে যোগীজির সাথে দেখাও করতে যান এবং যোগীজিকে অনুরোধ করেন তার ও তার ছেলের বাংলো রামগোবিন্দ চৌধুরী ও আহমেদ হাসানের নামে করে দিতে। যদিও যোগী আদিত্যনাথ পরিষ্কারভাবে তার প্রস্তাব প্রত্যাখান করেন। আসলে মুলায়ম সিং যাদব চেয়েছিলেন তার এবং তার ছেলে আখিলেশের যাদবের বাংলো অন্য লোকের নামে রেখে নিজেরা সুবিধা ভোগ করতে।

আপনাদের জানিয়ে রাখি শুধু বিরোধী দলের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদেরই নয় ির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকেউ ছাড়েননি যোগী আদিত্যনাথ। আসলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং একসময় উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন উনার জন্যেও একটা বাংলো উত্তরপ্রদেশে রয়েছে। সেই বাংলো সম্পূর্ণভাবে খালি করার জন্য নোটিস পাঠানো হয় রাজনাথ সিংহ কেউ। যদিও রাজনাথ সিং ওই বাংলো ব্যবহার করেন না, কারণ উনি দিল্লিতে থাকেন।

যোগী সরকার মোট ৬ জন মুখ্যমন্ত্রীকে বাংলো খালি করার জন্য নোটিস পাঠান এবং তাদেরকে ১৫ দিন সময় দেন বাংলো খালি করার জন্য। উত্তরপ্রদেশের মানুষ জানিয়েছে রাজ্যে এমন মুখ্যমন্ত্রী এই প্রথম যিনি নিজের সার্থ ছাড়াই রাজ্যের জন্য কাজ করে চলেছেন।

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.