Press "Enter" to skip to content

বিশেষ ধর্মের ভয়ে দিল্লীতে বাড়ি বিক্রি করে পলায়ন করতে বাধ্য হচ্ছে অসহায় হিন্দুরা

নয়া ঃ ফেব্রুয়ারি মাসের ২৪ তারিখ থেকে CAA এর বিরোধিতার নামে অশান্থয়ে উঠেছিল দিল্লী ()। পাঁচ মাস কাটার পরেও অনেক মানুষের মন থেকে এখনো সেই বিভীষিকার ভয় যায় নি। মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লীর মৌজপুর আর নূর-এ-ইলাহি এলাকায় হিন্দুদের বাড়ির বাইরে ধর্ম বিশেষের ভয়ে বাড়ি বিক্রির পোস্টার লাগানো হয়েছে। ওই এলাকা বাবাবরপুর বিধানসভার অন্তর্গত। এই বিধানসভায় দিল্লীর আম আদমি পার্টির সরকারের মন্ত্রী গোপাল রায় বিধায়ক হয়েছেন। উত্তর-পূর্ব দিল্লীর সাংসদ তথা দিল্লী বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি () এই বিষয়ে একটি ট্যুইট করেন। উনি গতকাল ওই এলাকার সফরে গেছিলেন।

https://platform.twitter.com/widgets.js

তিওয়ারি জানান, নিজের সংসদীয় এলাকার অন্তর্গত মৌজপুর আর মোহনপুরীর সফর করার পর উনি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরীবালকে চিঠি লিখেছেন। ওই চিঠিতে তিনি এলাকায় শান্তি এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে মিলেমিশে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

চিঠিতে মনোজ তিওয়ারি হিন্দুদের সাথে বৈষম্যমূলক আচরণ করার অভিযোগ তুলেছেন। উনি বলেছেন, ওই এলাকায় সফরের পর জানতে পারি যে, কিছু জায়গায় সুরক্ষার খাতিরে অনেকেই নিজের বাড়ির সামনে নিজের পয়সা দিয়ে মজবুত গেট লাগাতে বাধ্য হয়েছে। কিন্তু পাশের এলাকায় দিল্লী সরকার পয়সা খরচ করে মানুষের বাড়িতে গেট লাগিয়ে দিয়েছে। উনি চিঠিতে জানান, ওই এলাকায় একটি সম্প্রদায়ের প্রভাব বেশি। নির্যাতিতরা জানান, স্থানীয় বিধায়ক এবং মন্ত্রী এখনো পর্যন্ত তাঁদের কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়া তো দূরের কথা, কোন খবরই নেন নি।

https://platform.twitter.com/widgets.js

চিঠিতে এও বলা হয়েছে যে, দিল্লীর সরকার একটি বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষকে আইনি সুবিধা উপলব্ধ করাচ্ছে। উনি কেজরীবালের কাছে এই বৈষম্য করার কারণ জিজ্ঞাসা করেছেন। তিওয়ারি প্রশ্ন করেছেন, দিল্লীর অশান্তিতে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, তাহলে ক্ষতিপূরণের সময় বৈষম্য করা হচ্ছে কেন? সরকার মুখ দেখে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে নাকি?

নবদয়া টাইমস এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশেষ সম্প্রদায়ের হুমকির কারণে ওই এলাকায় থাকা হিন্দুরা ভয়ে তঠস্থ। স্থানীয় মানুষরা জানান, বিশেষ সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষেরা রাতের বেলায় তাঁদের বাড়ি এসে হুমকি দিয়ে যায়। উল্লেখ্য, উত্তর পূর্ব দিল্লীতে ২৪ ফেব্রুয়ারি সিএএ-এর বিরোধিতার নামে অশান্তি ছড়িয়েছিল। আর এই অশান্তির পরিকল্পনা জানুয়ারি মাস থেকেই করা হচ্ছিল। দিল্লীর এই অশান্তির আগুনে ঘি ঢালার জন্য JNU এর প্রাক্তন ছাত্র শারজিল ইমামের বিরুদ্ধে কোমর বেঁধে নেমেছে পুলিশ। আরেকদিকে উমর খালিদকেও র‍্যাডারে রাখা হয়েছে।