Press "Enter" to skip to content

বিশ্বকে পথ দেখাবে ভারতবর্ষ! প্রধানমন্ত্রী মোদীর প্রশংসায় মুখর অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী


আগামী দিনে বিশ্বগুরু হয়ে উঠবে এবং তা নাহলে বিশ্বের জন্য চিন্তার কারণ হয়ে উঠবে চীন, এমনটা বলছেন আন্তর্জাতিক স্তরের তাবড় তাবড় নেতারা।
চীনের আগ্রাসন নীতি দিন দিন এত প্রবল হয়ে উঠছে যে আগামী সময়ে পুরো বিশ্বের জন্য ড্রাগণ ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। যদি চীনকে আটকানো সম্ভব না হয় তবে আগামী দিনে পুরো বিশ্ব বিপদে পড়বে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে এশিয়ার ছোটো দেশগুলিকে পুরো গিলে ফেলার সম্ভবনাও তৈরি হতে পারে।

এমন অবস্থায় পুরো বিশ্বের মহাশক্তিধর দেশগুলি ড্রাগনকে রুখবার জন্য জোর লাগাতে শুরু করেছে। বিশ্বের সচেতন ও অভিজ্ঞ নেতারা এখন থেকেই বিশ্ববাসীকে চীনের ব্যাপারে সচেতন করতে লেগে পড়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন টনি এবট চীনের প্রসঙ্গে বড়ো মন্তব্য করেছেন। টনি এবট বলেছেন, চীনকে কাউন্টার করতে হলে ভারতের শক্তিশালী করতে হবে।

টনি এবট বলেছেন, সরকারের নেতৃত্বে ভারত চীনের বিরুদ্ধে বিগত ৭০ বছরের তুলনায় বেশি আক্রমক রূপ দেখিয়েছে। বাণিজ্যিক ও সমারিক দুই দিক থেকেই ভারত নিজেকে অনেক বেশি আপগ্রেড করেছে তথা চীনকে টক্কর দিয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, চীন নামক রোগের একমাত্র প্রতিকার ভারত দেশ। যদি চীনকে এই মুহূর্তে রুখতে হয় তাহলে তার মাধ্যম ভারত, এর অন্য কোনো বিকল্প নেই। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আরো বলেছেন, ভারতকে সামরিক দিক থেকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আর্থিকভাবে শক্তিশালী করতে হবে।

টনি এবটের মতে ভারত দেশকে ইন্ডাস্ট্রিয়াল হাবে পরিণত করতে হবে। আর এক্ষত্রে বিশ্বের সমস্ত দেশকে ভারতের প্রতি বেশি উদার হতে হবে। লক্ষণীয় বিষয়, টনি এবটের মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এর কারণ চীন একটা কমিউনিস্ট দেশ, অন্যদিকে ভারত গণতান্ত্রিক দেশে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ভারত শক্তিশালী হলেও তা কখনোই বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক হবে না। প্রসঙ্গত, চীনকে টক্কর দিতে ভারত ও ইউরোপের মধ্যে ফ্রী ট্রেড অগ্রিমমেন্ট হতে চলেছে। যা ড্রাগণের বিরুদ্ধে বড়ো প্রমান হবে বলে ধারণা বিশেষজ্ঞদের।