Press "Enter" to skip to content

বিশ্বকে ভয়ঙ্কর বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছে চিন, ড্রাগনের সাম্প্রতিক কাণ্ডে তেলে বেগুনে জ্বলল আমেরিকা

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ নিজেদের সাম্রাজ্যবাদী নীতি নিয়ে ধীরে ধীরে বিশ্বে নিজেদের শক্তি বাড়ানো চিন (China) আরও একবার তাইওয়ানের (Taiwan) সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে। নিজেদের ঘৃণ্য উদ্দেশ্য পূরণ করার প্রচেষ্টায় থাকা চিন লাগাতার দ্বিতীয় দিন ক্ষমতা প্রদর্শন করে তাইওয়ানের দিকে ৩৯টি যুদ্ধ বিমান পাঠায়। চিনের কমিউনিস্ট পার্টি শুক্রবার নিজেদের শাসনের ৭২ তম বছর পূর্তিতে শক্তি প্রদর্শনের জন্য এই কাজ করে।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয় একটি বয়ানে জানায়, আমাদের বায়ু সীমায় সকাল ৮টা নাগাদ চিনের ৩৯টি বিমান প্রবেশ করে। চিন একই ভাবে শুক্রবার ৩৮টি বিমান আমাদের বায়ু সীমায় পাঠিয়েছিল। আপনাদের জানিয়ে দিই, দীর্ঘদিন ধরেই চিন আর তাইওয়ানের মধ্যে বিবাদ চলে আসছে। একদিকে চিন যেমন তাইওয়ানকে নিজেদের এলাকা বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে তাইওয়ানও নিজেদের স্বাধীন রাষ্ট্র বলে দাবি করে চিনের সঙ্গে যেকোনও প্রতিস্পর্ধায় যেতে প্রস্তুত।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনের এই উস্কানিমূলক পদক্ষেপের পর আঞ্চলিক শান্তিতে আশঙ্কার মেঘ ঘনিয়েছে। তাইওয়ানের সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শুক্রবার আর শনিবার লাগাতার ৩৮ ও ৩৯টি বিমান পাঠানো প্ররোচনা ছাড়া আর কিছুই না। তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, ২০টি বিমান শনিবারে দিনের বেলায় সীমান্ত অতিক্রমণ করে, আর ১৯টি বিমান রাতের অন্ধকারে।

উল্লেখ্য, চিন নিজেদের লড়াকু বিমানের মাধ্যমে তাইওয়ানকে ভয় দেখানোর প্রচেষ্টায় জুটেছে। অন্যদিকে চিনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ থাকা আমেরিকা, যারা আবার তাইওয়ানের বন্ধু বলেও পরিচিত, তাঁরা এই কাজে চরম ক্ষুব্ধ হয়েছে।

চিন আর তাইওয়ানের ভৌগলিক ক্ষেত্রফল আর বিগত ৭৫ বছরের ইতিহাসের দিকে তাকালে গৃহ যুদ্ধের পর ১৯৪৯ সালে হওয়া বিভাজনে কমিউনিস্ট সমর্থকরা চিনে কবজা করে নেয়। অন্যদিকে চিনের জাতীয়তাবাদীরা তাইওয়ানে গিয়ে নিজেদের সরকার বানায়। এরপর থেকেই চিন আর তাইওয়ানের মধ্যে ভৌগলিক ক্ষেত্রফল নিয়ে বিবাদ চলছে।

[ad_2]