Press "Enter" to skip to content

বিশ্বের অষ্টম আশ্চর্যের তালিকায় নাম উঠলো ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি” এর

() স্ট্যাচু অফ ইউনিটিকে () অষ্টম আশ্চর্যের তালিকায় নথিভুক্ত করল । ভারতের বিদেশ মন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ট্যুইট করে এই তথ্য সার্বজনীন করেন। বিদেশ মন্ত্রী লেখেন, ‘সদস্য দেশ গুলোর মধ্যে পর্যটনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য SCO এর প্রচেষ্টাকে ধন্যবাদ জানাই। SCO অষ্টম আশ্চর্যের লিস্টে স্ট্যাচু অফ ইউনিটিকে যুক্ত করেছে। এটা নিশ্চিত রুপে প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।”

https://platform.twitter.com/widgets.js

SCO এর অষ্টম আশ্চর্যের তালিকায় নাম তোলা মানে হল এবার SCO নিজের সদস্য দেশগুলোতে স্ট্যাচু অফ ইউনিটির হয়ে প্রচার করবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি, এই মূর্তি উন্মোচনের এক বছরের পরেই স্ট্যাচু অফ ইউনিটিকে দেখার জন্য রোজ আসা পর্যটকের সংখ্যা আমেরিকার ১৩৩ বছরের পুরনো স্ট্যাচু অফ লিবার্টির থেকেও বেশি হয়ে গেছে। গুজরাটে এই স্মারককে দেখার জন্য রোজ ১৫ হাজারের থেকেও বেশি পর্যটক আসে।

সরদার সরোবর নর্মদা নিগম লিমিটেড ডিসেম্বর ২০১৯ এ একটি বয়ান জারি করে বলেছিল, ‘প্রথম নভেম্বর ২০১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর ২০১৯ পর্যন্ত প্রথম বছরে পর্যটকদের সংখ্যা ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এবার দ্বিতীয় বছরের প্রথম মাস থেকে পর্যটকদের সংখ্যা ১৫০৩৬ জন প্রতিদিন হয়েছে।” বয়ানে বলা হয়, ‘সপ্তাহের শেষের দিন গুলোতে এখানে ২২ হাজার ৪৩০ জন করে পর্যটক আসেন। আমেরিকার নিউ ইউর্কে স্ট্যাচু অফ লিবার্টি দেখার জন্য রোজ ১০ হাজার পর্যটক যায়।”

স্ট্যাচু অফ ইউনিটি দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের ১৮২ মিটার উঁচু প্রতিমা। এটি বিশ্বের সবথেকে উঁচু প্রতিমা রুপে গণ্য হয়েছে। এই প্রতিমা গুজরাটের কেবড়িয়া কলোনিতে নর্মদা নদীর উপর সর্দার বাধের পাশে বানানো হয়েছে। ভারতীয় মূর্তিকার রাম ভি সুতার এই মূর্তির ডিজাইন তৈরি করেছিলেন। ২০১০ সালে এই মূর্তি তৈরি করার কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ৩১ অক্টোবর ২০১৮ সালে এই মূর্তি উন্মোচন করেন।

লৌহ পুরুষ সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের ১৪৩ তম পুণ্যতিথিরে ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের সবথেকে উঁচু স্ট্যাচু অফ ইউনিটি মূর্তির অনাবরণ করেন। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের এই প্রতিমাকে মাত্র চার বছরেই তৈরি করা হয়েছিল। এই মূর্তি বানাতে মত ২৯৮৯ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল।