Press "Enter" to skip to content

বিশ্বের সবথেকে উঁচু ভোটকেন্দ্রে জলের কল পৌঁছে দিলো মোদী সরকার, এতদিন জল নিয়ে যাওয়া হত খচ্চরে করে

নয়া দিল্লীঃ বিশ্বের সবথেকে উঁচু ভোটগ্রহণ কেন্দ্র পর্যন্ত জলের কল পৌঁছে গেল। হিমাচল প্রদেশের () টাশিগঙ্গ গ্রামে () অবস্থিত এই ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে জল জীবন মিশন () অনুযায়ী, সর্বাধিক উচ্চতায় প্রথম জলের কল স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় জলশক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত ট্যুইট করে এই কথা জানান।

হিলাচল প্রদেশের লাহৌল-স্পিতি (Lahaul Spiti) জেলা শীতল মরুভূমি নামে পরিচিত। অত্যাধিক তুষারপাতের ফলে এই এলাকা ছয় মাস গোটা বিশ্বের থেকে বিচ্ছিন্ন থাকে। সেখানে শুধু বরফ গলিয়ে খাওয়ার জলের ব্যবস্থা করতে হত। অথবা খচ্চরে করে জলে টেনে নিয়ে আসা হত বহু দূর থকে। ভারত-তিব্বত সীমান্ত থেকে মাত্র ১০ কিমি দূরে অবস্থিত এই গ্রামে কলের মাধ্যমে জল পৌঁছানর পর এখন থেকে আর জলের জন্য কয়েক কিমি দূর সফর করতে হবে না। জল পৌঁছে দেওয়ার ফলে এলাকার গরিব মানুষদের মধ্যে খুশির হাওয়া হয়ে গিয়েছে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে সেখানে কলের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়া সহজ ছিল না। কিন্তু জল জীবন মিশনের এক বছরের মধ্যে সেখানে বাড়ি বাড়িতে জলের কানেকশন দেওয়া একটা বড় উপলব্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে। বাড়ি বাড়ি জল আসা শুরু হওয়ার পর স্থানীয়দের খুশির বাঁধ ভেঙে পড়ে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাঁরা প্রথমবার এই সুবিধা ভোগ করতে সক্ষম হয়েছে। ৩১ হাজার ৫৬৪ জনসংখ্যার স্পিতি ব্লকে ১৩ টি পঞ্চায়েত আছে। আর এবার সেখানে দেশ স্বাধীনের ৭৪ বছর পর বাড়ি বাড়ি কলের মাধ্যমে জল পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

চিচম আর টশিগঙ্গ এর মতো উচ্চতায় থাকা এলাকায় জল পৌঁছে দেওয়া খুব চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। কিন্তু গ্রামবাসীদের সহযোগে এই চ্যালেঞ্জিং কাজ সম্পূর্ণ করা সম্ভব হয়েছে। কেন্দ্র সরকারের জল জীবন মিশন অনুযায়ী, ২০২৪ পর্যন্ত দেশের প্রতিটি গ্রামবাসীর বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রাখা হয়েছে।