Press "Enter" to skip to content

বড়ো খবর: ক্ষমতায় আসতেই আফগানিস্তানের নাম পরিবর্তন করল তালিবান


মাত্র দেড় মাসের মধ্যে পালাবদল ঘটেছে ে। এক গনির অপসারণের মধ্য দিয়ে পুনঃপ্রবেশ আর এক গনির। রবিবার সকালে থেকেই ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। দীর্ঘ বৈঠকের পর আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ গনি পদত্যাগ করেন। তারপর‌ই ক্ষমতায় অভিষেক ঘটে প্রধান মোল্লা আবদুল গনি বরদারের।

আফগানিস্তান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি পদত্যাগ করার পর তালিবানের দখলে চলে আসে কাবুল। শুধুমাত্র দখল করেই থেমে থাকেনি তালিা, আফগানিস্তানে তালিবান-রাজ প্রতিষ্ঠা হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশের নাম করা হয়েছে। আফগানিস্তানে পুরানো পরিচয় পাল্টে দেওয়ার উপর কাজ শুরু করেছে তালিবান। আফগানিস্তানের নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘িক আমিরাত অফ আফগানিস্তান। জানিয়ে দি, আফগানিস্তানের অফিসিয়াল নাম ইসলামিক রিপাবলিক অফ আফগানিস্তান। এখন তা পাল্টে ‘ইসলামিক আমিরাত অফ আফগানিস্তান রাখা হয়েছে।

২০ বছর আগে তালিবান সরকার কর্তৃক দেশর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘ইসলামিক আমিরাত অফ আফগানিস্তান’। ২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে টুইন টাওয়ার হামলার ঘটনার পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর তৎপরতায় উৎখাত হয় তালিবানরা এবং সেই নামের অবলুপ্তি ঘটে। কিন্তু আফগানিস্তান পুনরায় তালিবানের দখলে। মার্কিন গোয়েন্দারা অনুমান করেছিল, কাবুল দখলের প্রায় ৯০ দিন লাগবে দেশের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিতে, কিন্তু তালিবানরা দুই সপ্তাহেরও কম সময়ে আফগানিস্তানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেয়।

রবিবার সকাল থেকেই প্রেসিডেন্টের বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন তালিবান প্রধান মোল্লা আবদুল গনি বরদার। সেখানেই আশরাফ গনি ও আমেরিকার কূটনীতিবিদদের সঙ্গে সমঝোতা বৈঠক করেন তালিবান প্রধান। তারপরই তালিবান শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা হল আফগানিস্তানে।

আফগানিস্তানে তালিবান-রাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই নাম বদলে জোর দেওয়া হয়। ২০ বছর আগের নাম রাতারাতি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। আফগানিস্তান নাম বদলে হয় ‘ইসলামিক আমিরাত অফ আফগানিস্তান’। অর্থাৎ পুরোপুরি ইসলামিক দেশে রূপান্তরিত হয় আফগানিস্তান।