Press "Enter" to skip to content

বড় খবরঃ করোনার ভ্যাকসিন বানিয়ে ফেলল ভারতীয় বিজ্ঞানীরা, টেস্টের জন্য পাঠানো হল আমেরিকায়

নয়া দিল্লীঃ ের () বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হওয়ার জন্য গোটা বিশ্বের সরকার নিজেদের সম্পূর্ণ পরিশ্রম লাগিয়ে দিয়েছে। আরেকদিকে বিজ্ঞানীরাও () তৈরি করার জন্য রাতদিন এক করছে। খবর শোনা যাচ্ছে যে, ের () টিকা কোম্পানি () করোনাকে হারানোর ভ্যাকসিন তৈরি করে ফেলছে। এই ভ্যাকসিন গুলো পশুদের উপর ট্রায়াল করার জন্য আমেরিকায় () পাঠানো হয়েছে। তিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত চলা এই ট্রায়ালের পর যদি সবকিছু ঠিক থাকে, তাহলে ভারতে এই ভ্যাকসিনকে মানুষের উপর ব্যবহার করা হবে। বিজ্ঞানীদের দাবি অনুযায়ী, এই বছরের শেষ পর্যন্ত এই ভ্যাকসিন ব্যবহারের জন্য উপলব্ধ হয়ে যাবে।

মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, এই ভ্যাকসিনকে নজেল ড্রপ রুপে ব্যবহার করা হবে। এই ভ্যাকসিনের এক ফোটা নাকে দিলেই এই পরিণাম পাওয়া যাবে। কোরাফ্লু নামের এই টিকা করোনার সাথে সাথে ফ্লুয়ের ও চিকিৎসা করবে। ভারত বায়োটেকের সিএমডি এবং বিজ্ঞানী ডঃ কৃষ্ণা এলা বলেন, করোনা ভাইরাস নাক থেকে শরীরের মধ্যে প্রবেশ করে আর হৃৎপিণ্ডে পৌঁছে সেটিকে সম্পূর্ণ ভাবে সংক্রমিত করে ফেলে। এর কারণে আমরা এই ভ্যাকসিনকে নাকের ভ্যাকসিন রুপে তৈরি করেছি। এই ভ্যাকসিন নাক দিয়ে শরীরের প্রবেশ করে করোনাকে হারাবে।

উনি বলেন, এই ভ্যাকসিন যাতে অন্যান্য ফ্লুতে (জ্বর) ব্যবহার করা যায়, সেভাবেই তৈরি করা হয়েছে। এখনো পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এক বোতলে ১৫ থেকে ২০ ফোটা ওষুধ থাকবে। এটাকে ইচ্ছে করেই এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে, যাতে এটিকে রাখা আর ডেলিভারি দেওয়া সহজ হয়। ডঃ কৃষ্ণা এলা বলেন, আমরা প্রতি বছর প্রায় ৩০ কোটি ভ্যাকসিন তৈরি করার লক্ষ্য স্থির করেছি।

দেশে অ্যানিমেল ট্রায়াল আর জিন সিন্থেসিস সুবিধা না থাকার কারণে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল ভারতে করা সম্ভব হচ্ছে না। এই কারণেই এই ভ্যাকসিনকে আমেরিকায় ট্রায়ালের জন্য পাঠানো হয়েছে। আমেরিকার
University of Wisconsin এবং জাপানি ভাইরালজিস্ট ইয়শিহারা কবাওকার বিজ্ঞানীরা এর ট্রায়াল প্রথমে পশুদের মধ্যে করবে, আর তারপর পরীক্ষা সফল হলে মানুষের মধ্যে করা হবে।

আপনাদের জানিয়ে দিই, ভারত বায়োটেক হাই রিস্ক ভ্যাকসিন বানানোর অভিজ্ঞতা আছে। এর আগেও এই কোম্পানির বিজ্ঞানীরা এইচ১এন১ ফ্লু, চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েড সমেত ১৬ রকম অসুদখের টিকা বানিয়েছে। ভারতীয় বৈজ্ঞানিকদের এই প্রচেষ্টায় আবারও আশার আলো জেগেছে। এই পরীক্ষণ সফল হলে দেশ আর বিশ্বের কাছে খুব শীঘ্রই করোনা ভাইরাস হেরে যাবে।