Press "Enter" to skip to content

ভারতকে প্যাঁচে ফেলতে তালিবানদের সঙ্গে হাত মেলাচ্ছে চীন! পাল্টা অ্যাকশনে ভারত সরকার


তালিবানদের সঙ্গে ের সখ্যতা বেড়েই চলেছে। কারণ চীনের লক্ষ্য ভারতের ধ্বংস। ভারত-সহ একাধিক দেশ আগেই জানিয়ে দিয়েছে জোর করে ক্ষমতায় আসা কোনও সরকারকে তারা মেনে নেবে না। এই পরিস্থিতিতে সমর্থন আদায়ের জন্য চীনের দরবারে গিয়েছিল তালিবানরা। এমনকী, চীনের ওয়াং ইয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে প্রতিনিধি। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা তৈরি হয়েছে।

সম্প্রতি একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা গিয়েছে, এক‌ই ফ্রেমে রয়েছে চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের এবং তালিবান প্রধান মোল্লা আবদুল গনি বরাদর। সূত্রের খবর, দুজনের মধ্যে বেশকিছু সময় আলাপ আলোচনাও হয়। এর পর থেকেই আন্তর্জাতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলের দাবি, চীনের পক্ষ থেকে তালিবানকে উস্কানি দেওয়া হয়েছে। বিশেষ সূত্রে খবর, থেকে মার্কিন প্রত্যাহারের পর সেখানে আধিপত্য বিস্তার করতে চাইছে চীন। তাই তারা তালিবানের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এশিয়ার বহু এলাকায় প্রভুত্ব বজায় রাখতে তালিবান সরকারকে সমর্থন করছে বেজিং।

তালিবানদের কাজে লাগিয়ে চীন এবং পাকিস্তান ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ও গুরুত্বপূর্ণ শহরে সমস্যা তৈরি করতে পারে। সীমান্ত নিয়েও তৈরি হতে পারে গুরুতর সমস্যা। তবে চীনের এই প্ল্যানিংকে টক্কর দিতে মাঠে নেমে পড়েছে ভারতের কূটনীতিবিদরা। তালিবানের দরুন যাতে ভারতের বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ক্ষমতায় নূন্যতম প্রভাব না পড়ে তার চেষ্টায় নেমেছে ভারত। এর জন্য ভারত ইস্যুকে আরো জোরালোভাবে তুলে ধরে চীনের লেজে আগুন ধরার কাজে নামবে বলে বিশেষজ্ঞদের দাবি। একইসাথে দক্ষিণ চীন সাগরে জিনপিং সরকারের বিরুদ্ধে চাপ তৈরির জন্য যৌথ পরিকল্পনা করবে ব্রিটেন, ও ভারত।

উল্লেখ্য, রবিবার তালিবানদের পুরোপুরি দখলে চলে গেল আফগানিস্তান। কুড়ি বছর পর ফের আফগানিস্তানের মসনদে ক্ষমতা দখল করল তালিবান। রবিবার সকালে কাবুলে পৌঁছাতেই বোঝা গিয়েছিল তালিবানদের কব্জায় সমগ্র দেশের ক্ষমতা সময়ের অপেক্ষামাত্র। এক তালিবান মুখপাত্র জানান, জনবহুল কাবুলে যুদ্ধ চায় না তারা। শান্তিপূর্ণভাবে আফগান সরকারের থেকে ক্ষমতার হস্তান্তর চাইছে তারা। কিছুক্ষণ পর আফগান প্রেসিডেন্ট আশরফ ঘানি ইস্তফা দেন এবং এর পরপরই আফগানিস্তানে সূচনা হয় তালিবানদের নয়া শরিয়ত শাসনের।