Press "Enter" to skip to content

ভারতীয়দের কাছে আমরা ঋণী, ওরাই বিশ্বকে গুনতে শিখিয়েছে : আলবার্ট আইনস্টাইন, মহান বিজ্ঞানী

“বহুনা কিমি হোভেক্ত ন সার বঞ্চিম চ দন্ডতে।
নাস্তি মুদ্ৰাসমং কিঞ্চিত সিদ্ধিদং ক্ষিতিমণ্ডলে”
-ঘেরান্ড সংহিতা।

হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী মানুষদের দেহ বহু এনার্জি চ্যানেলের সমষ্টি। মুদ্রা অভ্যাসের দ্বারা দেহের বিভিন্ন এনার্জি চ্যানেলের সার্কিটকে সঠিকভাবে ব্যাবহার করে জগতের সমস্ত রহস্যের ভেদ করা সম্ভব। প্রাচীনকাল থেকে ঋষি, মুনি, সাধু সন্ন্যাসীরা তাদের সাধনার দ্বারা বার বার দেশকে সমৃদ্ধ করেছেন।

হাজার হাজার বছরের উত্থান পতনে বহু সভ্যতার পতন ঘটেছে তবে একমাত্র সনাতন হিন্দু সভ্যতা বহু আঘাত সহ্য করে আজও দাঁড়িয়ে আছে এবং নিরন্তর লড়াই চালাচ্ছে। আর এ সমস্ত কিছুর কৃতিত্ব দাবি রাখেন বর্তমান হিন্দুদের পূর্বপুরুষ প্রাচীন ঋষি মুনিরাই। , গণিত, স্বাস্থ্য, জ্যোতির্, যুদ্ধকলা প্রায় সবকিছুতেই পারদর্শী ছিল প্রাচীন ভারতের ঋষি মুনিরা। যদিও আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মেকেল শিক্ষা পদ্ধতিতে পড়া একজন ব্যাক্তির কাছে এ সমস্তকিছু কল্পনা মাত্র।

তবে আধুনিক যুগের বিজ্ঞানীরা ভারতের বিষয়ে যে মত প্রকাশ করেছেন তা বিশ্বের যেকোনো মানুষকে হিন্দুদের মহানতার সামনে নতমস্তক হতে বাধ্য করবে। মহানতম বিজ্ঞানী () ভারতের সম্পর্কে মন্তব্য গিয়ে বলেছিলেন- আমরা ভারত দেশের প্রতি ঋণী। আমাদের গুনতে শিখিয়েছে। ভারত ছাড়া কোনো সফল বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার সম্ভব ছিল না।

আইনস্টাইন বিশ্বের একজন সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী এবং নোবেল পুরস্কার দ্বারা সম্মানিত। যার থিওরি অফ রিলেটিভিটি বিশ্বের জন্য একটা বড়ো আবিষ্কার।
প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, সংখ্যার আবিষ্কার মূলত ভারতবর্ষেই হয়েছিল। বহু ষড়যন্ত্রকারী শক্তি এই আবিষ্কারকেও ভারতের থেকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা চালিয়েছিল। তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়েও শূন্যে (০) এর আবিষ্কারক ঋষি আর্যভট্টকে বিশ্ববাসী ভোলেনি। এছাড়াও রেখা গণিত, ত্রিকোণমিতি, বীজগণিত, সুলভ সূত্র, ওজন নীতি, দৈর্ঘ্য নীতি, বাইনারি কোড এর আবিস্কার ভারতেই হয়েছে।

মহান দার্শনিক আর্থার সোপেনহাবার যার লেখার প্রশংসা বড়ো বিজ্ঞানীদের মুখে পর্যন্ত থাকতো উনিও ভারতের বিষয়ে বড়ো মন্তব্য করেছিলেন। আর্থার সোপেনহাবারের মতে উপনিষদের মতো পবিত্র গ্রন্থ বিশ্বের কোথাও নেই। উপনিষদ পড়ে আমি জীবনে শান্তি পেয়েছি এবং মৃত্যুর পরেও শান্তি পাবো। জানিয়ে দি, আলবার্ট আইনস্টাইন নিজে আর্থার সোপেনহাবারের একজন বড়ো ফ্যান ছিলেন এবং উনার লেখা নিয়মিত পাঠ করতেন। সম্ভবত এই কারণেই ভারতের প্রতি দুজনেই চিন্তাধারা মিল দেখা মেলে।