Press "Enter" to skip to content

ভারতের শক্তিপ্রদর্শন: যা পারেনি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীরা, তাই করে দেখালেন নরেন্দ্র মোদী

[ad_1]

আপনি যদি সমাজে কোনো বড় পরিবর্তন আনতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে শক্তিশালী হতে হবে। কারণ শক্তিশালী না হলে সমাজ আপনার কোন বার্তা বা কোন দাবিকে মান্যতা দেবে না। আন্তর্জাতিক মহলে এর তাজা উদাহরণ প্রস্তুত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ৬০-৭০ বছর ধরে ভারতের কোন সরকার যা করে দেখাতে পারেনি তাই বাস্তবে পরিণত করেছে মোদী সরকার।

আসলে যুগ যুগ ধরে ভারতের বহু আক্রমণ হয়েছে এবং ভারতের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক প্রাচীন মূর্তি ধন সম্পদ চুরি করে অন্যত্র পাচার করা হয়েছে। ভারতীয়রা বহুবার দেশের চুরি হয়ে যাওয়া বহুমূল্য জিনিসপত্র ফিরিয়ে আনার দাবি তুলেছে।

আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের শক্তি প্রদর্শন

স্বাধীনতার পর ভারত সরকার বিদেশ থেকে বহু জিনিস ফিরিয়ে আনার চেষ্টায় লেগে পড়েছিল। তবে কোন সরকারের আমলে সেই ভাবে সফলতা আসেনি। এমনকি ইন্দিরা গান্ধী, অটল বিহারী বাজপেয়ীর আমলেও ভারত বিদেশ থেকে বিশেষ কিছু ফিরিয়ে আনতে পারেনি। কারণ সেই সময় আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের তেমন প্রভাব ছিল না, যা আজকের দিনে রয়েছে। এখন নরেন্দ্র মোদীর আমলে ভারত এই পরিপ্রেক্ষিতে বড়ো কাজ করে দেখিয়ে দিয়েছে।

হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈনদেরর জন্য সুখবর

দেশ থেকে চুরি হয়ে যাওয়া ঐতিহ্যবাহী ১৫৭ টি পুরাকীর্তি ভারতে পুনরায় ফিরিয়ে এনেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আমেরিকার তরফে এই পুরাকীর্তিগুলি প্রধানমন্ত্রীকে যত্ন সহকারে তুলে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে জো বিডেন ও কমলা হ্যারিসের উদ্যোগের দারুণ প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।

এই শিল্পকর্মগুলো ১১ থেকে ১৪ তম খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তৈরি। যার মধ্যে একটিমাত্র সাংস্কৃতিক নিদর্শন রয়েছে এবং বাকি গুলি মূর্তি। হিন্দু ধর্মের ৬০টি, বৌদ্ধ ধর্মের ১৬ টি এবং জৈন ধর্মের ৯টি মূর্তি বা পুরাকীর্তি রয়েছে যেগুলো ধাতু, পোড়ামাটি, পাথর ও ব্রোঞ্জের তৈরি মূর্তি।

এদের মধ্যে রয়েছে নটরাজ, ২৪ তীর্থ কংশী, দ্বাদশ শতাব্দীর তীর্থঙ্কসী এবং ব্রোঞ্জের তৈরি বিষ্ণু, শিব মূর্তি, লক্ষীনারায়ন ও বিষ্ণুমূর্তি। এছাড়াও, ১০ শতকের রেভান্তার বেস রিলিফ প্যানেল থেকে শুরু করে ১২ শতাব্দীতে তৈরি বেলেপাথরের নটরাজ মূর্তি রয়েছে, উচ্চতা প্রায় ৮.৫ সেন্টিমিটার। আমেরিকা থেকে এই প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী নিদর্শনগুলো ফিরে পেয়ে বন্ধু বিডেনকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আবার ২০০০ খ্রীষ্টপূর্বাব্দে তৈরি তামার নৃতাত্ত্বিক বস্তু এবং দ্বিতীয় শতকের পোড়ামাটির ফুলদানিও রয়েছে।

[ad_2]