Press "Enter" to skip to content

ভারতে কেন পালিত হয় ‘সেনা দিবস”, এর গুরুত্বই বা কী! রয়েছে অনেক পুরনো কাহিনী

[ad_1]

নয়া দিল্লিঃ ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য আজ একটি বিশেষ দিন। প্রকৃতপক্ষে, ১৯৪৯ সালের এই দিনে ফিল্ড মার্শাল কে এম কারিয়াপ্পা জেনারেল ফ্রান্সিস বুচারের কাছ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ড নেন। ফ্রান্সিস বুচার ছিলেন ভারতের শেষ ব্রিটিশ কমান্ডার-ইন-চিফ। সেনাবাহিনীর কমান্ড নেওয়ার পর ফিল্ড মার্শাল কে এম কারিয়াপ্পা ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম কমান্ডার-ইন-চীফ হন। কারিয়াপ্পার ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার স্মরণে এই দিনটিকে প্রতি বছর ‘সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

আপনাদের বলে দিই যে, এই দিনে রাজধানী দিল্লি এবং সমস্ত সেনা সদর দফতরে সামরিক কুচকাওয়াজ, সামরিক প্রদর্শনী এবং অন্যান্য অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ দিনে সেনাবাহিনীর অদম্য সাহস, বীরত্ব ও আত্মত্যাগের কথা স্মরণ করে গোটা দেশ। আজ অর্থাৎ ১৫ জানুয়ারী ২০২২ ৭৪তম সেনা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী ১৭৭৬ সালে কলকাতায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দ্বারা গঠিত হয়েছিল। ভারতের স্বাধীনতার আগে ভারতীয় সেনাবাহিনী ব্রিটিশ সেনাপতির দখলে ছিল। এরপর ১৯৪৭ সালে যখন দেশ স্বাধীন হয়, তখনও ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রেসিডেন্ট ছিলেন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত। প্রায় দুই বছর পর ১৫ জানুয়ারী ১৯৪৯-এ স্বাধীন ভারতের শেষ ব্রিটিশ কমান্ডার-ইন-চীফ জেনারেল ফ্রান্সিস বুচার ভারতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ড ভারতীয় লেফটেন্যান্ট জেনারেল কে এম কারিয়াপ্পাকে হস্তান্তর করেন।

এর পরেই জেনারেল কে এম কারিয়াপ্পা স্বাধীন ভারতের প্রথম ভারতীয় সামরিক কমান্ডার হন। এটি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। তাই প্রতি বছর ১৫ জানুয়ারি ভারতীয় সেনা দিবস হিসেবে পালিত হয়। সেনা দিবস উদযাপনের উদ্দেশ্য হলো দেশ রক্ষায় জীবনদানকারী সকল শহীদদের শ্রদ্ধা জানানো এবং দেশের সেবায় নিয়োজিত সৈনিকদের সম্মান জানানো।

১৮৯৯ সালে কর্ণাটকের কুর্গে জন্মগ্রহণ করেন ফিল্ড মার্শাল কারিয়াপ্পা মাত্র ২০ বছর বয়সে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে চাকরি শুরু করেন। এর পরে তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বার্মায় জাপানিদের পরাজিত করার জন্য অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারও ভূষিত হন। আপনাদের বলে দিই যে, ১৯৪৭ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধে পশ্চিম সীমান্তে সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কারিয়াপ্পা।

[ad_2]