Press "Enter" to skip to content

ভারতে মুসলিমদের জনসংখ্যা অন্য ধর্মের তুলনায় দ্রুত গতিতে বাড়ছে, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট

নয়া দিল্লিঃজনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ লাগু করা নিয়ে চলা প্রয়াসের মধ্যে থিংক ট্যাংকের রিপোর্টে ভারত নিয়ে বড় তথ্য পেশ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, অন্য ধর্মের তুলনায় মুসলিমরা বেশি সন্তানের জন্ম দেয়। এরপর হিন্দুরা রয়েছে। সবথেকে কম সন্তানের জন্ম দেয় জৈন ধর্মাবলম্বীরা। আমেরিকার থিংক ট্যাংক ‘Pew Research Center’-র সাম্প্রতিক রিপোর্টে এও বলা হয়েছে যে, ভারতে প্রায় সব ধর্মের বাচ্চাদের জন্মহার আগের থেকে কমেছে।

Pew Research মঙ্গলবার একটি রিপোর্ট জারি করে বলেছে যে, ভারতীয় মুসলিের মধ্যে সন্তান জন্ম দেওয়ার হার কমেছে। ১৯৯২ সালে এই হার প্রতি মহিলা ৪.৪ ছিল। যা ২০১৫ সালে কমে ২.৬ হয়েছে। যদিও এখনও সবথেকে বেশি মুসলিমরাই সন্তান প্রসব করে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে মুসলিমদের পর হিন্দুরা সবথেকে বেশি সন্তানের প্রসব করে যার হার ২.১। জৈন ধর্মাবলম্বীরা সবথেকে কম সন্তানের প্রসব করে যার গড় অনুপাত ১.২। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে মুসলিমরা যখন ৪.৪ হারে সন্তান প্রসব করত। তখন হিন্দুরা ৩.৩ হারে সন্তান প্রসব করত। রিসার্চে দাবি করা হয়েছে যে, মুসলিম আর হিন্দুদের মধ্যে সন্তান প্রসবের হার অনেক কমেছে।

রিসার্চে দাবি করা হয়েছে যে, ভারতে মুসলিমদের জনসংখ্যা অন্য ধর্মের তুলনায় দ্রুত গতিতে বাড়ছে। যদিও, ১৯৫১ সালে প্রথমবার জনগণনার পর এখনও পর্যন্ত জন্মহারের গতি কমায় সমস্ত ধর্মের জনসংখ্যা খুব কমই অন্তর দেখা গিয়েছে। ভারতের ১২০ কোটি জনসংখ্যার মধ্যে হিন্দুদের সংখ্যা মোট ৭৯.৮ শতাংশ। ২০০১-র তুলনায় এটা ০.৭ শতাংশ কম।

অন্যদিকে মুসলিমদের জনসংখ্যা ২০০১ থেকে ২০১১-র মধ্যে ১৩.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। খ্রিস্টান, , বৌদ্ধ আর জৈন সবাই মিলিয়ে দেশের ৬ শতাংশ জনসংখ্যার অধিকারী। তাঁদের জনসংখ্যা ১৯৫১ থেকে এখনও পর্যন্ত স্থির রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ভারতের স্বাধীনতার পর ধার্মিক জনসংখ্যার এই বিপুল ের পিছনে জন্মদর সবথেকে বড় কারণ।