Press "Enter" to skip to content

ভারত যেন তাইওয়ানকে স্বাধীন রাষ্ট্র না মানে, হুমকি দিয়েছিল চীন! পাল্টা জবাবে মুখে চুনকালি পড়ল জিনপিংয়ের


নয়া চীন () শুধু ভারতই (India) না, তাইওয়ান আর হংকংয়ের বিরুদ্ধেও আক্রমণাত্বক মনোভাব আপন করে চলছে। আর সেই ক্রমেই চীনের সরকারি মুখপত্র ভারতকে তাইওয়ানের ন্যাশানাল ডে-এর দিনে তাঁদের একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে পেশ না করার হুমকি দেয়। তাইওয়ানের ন্যাশানাল ডে ১০ ই অক্টোবরের দিন চীন চাইছে ভারত যেন তাঁদের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ না করে। যদিও তাইওয়ানের বিদেশ মন্ত্রালয় একটি ট্যুইটের মাধ্যমে চীনের মিডিয়া আর জিনপিং সরকারকে মোক্ষম জবাব দেয়।

তাইওয়ানের বিদেশ মন্ত্রালয় ট্যুইট করে লেখে, ‘ভারত বিশ্বের সবথেকে বড় গণতান্ত্রিক দেশ। তাঁরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা আর মানুষের স্বাধীনতাকে দেওয়াকে প্রাধান্য দেয়। যদিও, দেখে মনে হয় কমিউনিস্ট চীন এই সমস্ত মহাদেশে একটি সেন্সরশিপ চাপিয়ে দিতে চায়। ভারতীয় বন্ধুরা ওদের একটাই জবাব দেবে, GET LOST।”

https://platform.twitter.com/widgets.js

জানিয়ে দিই, চীনের কমিউনিস্ট সরকার যতই শান্তির কথা বলুক, কিন্তু তাঁরা নিজেদের সরকারি মুখাপত্রের মাধ্যমে অন্য দেশগুলোকে হুমকি দেওয়া আর ভয় দেখানোর কাজ লাগাতার জারি রেখেছে। ভারতের সাথে সীমান্ত বিবাদ মামলায় জিনপিং সরকার লাগাতার শান্তির কথা বলছে, আরেকদিকে জিনপিং সরকারের মুখপত্র লাগাতার হুমকি দিয়ে চলেছে আর যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে।

তবে ভারত এসব হুমকিকে পাত্তা না দিয়ে চীনের বিরুদ্ধে মহাশক্তিশালী জোট গড়ার কাজ করে চলেছে। দুদিন আগে জাপানে ভারত, , জাপান আর আমেরিকা মিলে চীনের বিরুদ্ধে হাত মিলিয়ে রণনীতি গড়েছে। আর চারটি শক্তিধর দেশের এই বৈঠকে ঘুম উড়েছে চীনের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী দ্বারা কদিন আগে বিশ্বের বৃহত্তম টানেল উদ্বোধনের পর চীনের তরফ থেকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল যে, যদি যুদ্ধ লাগে তাহলে সবার আগে এই টানেলকে ধ্বংস করা হবে। চীনের এই হুমকির পর ভারতীয় বায়ুসেনা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে, তাঁরা চীনের যেকোনও দুঃসাহসের জবাব দিতে প্রস্তুত।