Press "Enter" to skip to content

ভারত হবে আগামী দিনের সুপার পাওয়ার! রিপোর্ট পেশ করে ইঙ্গিত আমেরিকান সংস্থার

উৎসাহ না হারিয়ে কোনো টার্গেটের উপর যদি লাগাতার কাজ করা হয় তাহলে সাফল্য নিশ্চিত। আর এটা প্রমান করল ভারত (India)। আসলে আমেরিকা, ফ্রান্স, UK, ও ইউরোপের বহু দেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। আর এখন এটা নিশ্চিত যে ভারত হতে চলেছে বিশ্বের দ্বিতীয় সবথেকে বড় ম্যানুফ্যাকচারিং হাব। জানিয়ে দি, এই দাবি ভারতের কোনো মিডিয়া বা কোনো এশিয়ান মিডিয়ার দ্বারা করা হয়নি। একেবারে তথ্য সমৃদ্ধ রিপোর্ট পেশ করে এমন ইঙ্গিত দিয়েছে আমেরিকার সংস্থা।

আমেরিকার বিখ্যাত সংস্থা ‘দা কুসমান এন্ড বেকফিল্ড ‘ (Cushman & Wakefield) দাবি করেছে যে ভারত ম্যানুফ্যাকচারিং এর মামলায় ভারত আমেরিকাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। জানিয়ে দি, ‘দা কুসমান এন্ড বেকফিল্ড’ সংস্থার রিপোর্টের উপর বিশ্বের সমস্ত ইনভেস্টরদের নজর থাকে। কারণ এই সংস্থার রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই বড়ো বড়ো কোম্পানি তাদের নীতি নির্ধারণ করে থাকে।

উক্ত সংস্থা বহু তথ্য বিশ্লেষণ করার পর গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং হাবের ইনডেক্স প্রস্তুত করে থাকে। কোনো দেশের ভৌগোলিক পরিবেশ, রাজনৈতিক পরিবেশ, দুর্নীতি, ট্যাক্সের সিস্টেম ইত্যাদি নানা প্যািটার দেখার পর ইনডেক্স জারি করে আমেরিকান সংস্থা। আর এই কারণে পুরো বিশ্বের নজর ‘দা কুসমান এন্ড বেকফিল্ড’ এর রিপোর্টের উপর থাকে।

ভারতীয়দের জন্য খুশির খবর এই যে, ভারত এই ইনডেক্স রিপোর্টে আমেরিকা, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, সহ বহুদেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে। আর এই সাফল্যের সাথে ভারত চীনের পর দ্বিতীয় সবথেকে ্য স্থানে পরিণত হয়েছে ম্যানুফ্যাকচারিং হাবের জন্য। এর আগে প্রথম স্থানে ছিল চীন এবং দ্বিতীয় স্থানে ছিল আমেরিকা। তবে আমেরিকা এখন পিছিয়ে পড়েছে এবং ঐ স্থান দখল করেছে ভারত।

বিশেষজ্ঞদের মতে ভারতের দ্বিতীয় স্থানে আসা চীনের প্রথম স্থানে আসার থেকেও ভালো। কারণ আজকের দিনে করোনা মহামারির পর থেকে বহু কোম্পানি চীন ছেড়ে অন্যান্য দেশে শিফট হতে শুরু হয়েছে। অন্যদিকে ইনভেস্টের লাগাতার বেড়েই চলেছে। লক্ষণীয়, ম্যানুফ্যাকচারিং হাবের জোরেই চীন আজ আমেরিকাকে টক্কর দেওয়ার উপর কাজ করছে। তবে আমেরিকান সংস্থার যে রিপোর্ট সামনে এসেছে তাতে স্পষ্ট যে ভারত ভবিষ্যতের সুপার পাওয়ার হিসেবে উদয়িমান হতে চলেছে।