Press "Enter" to skip to content

ভয়ানক পর্দাফাঁস: ২৭৪ দিন ধরে করা হয়েছিল দিল্লী দাঙ্গার প্ল্যানিং! বেছে বেছে জ্বালানো হয়েছিল হিন্দুদের গাড়ি

CAA বিরোধের নামে যে দাঙ্গা হয়েছিল তার চার্জশিট প্রকাশ হতেই যেসব চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে তা পুরো দেশবাসীর হুশ উড়িয়ে দিয়েছে। আসলে যে দাঙ্গাকে দেশবাসী হটাৎ হওয়া দাঙ্গা বলে ধারণা করেছিল তা ২৭৪ দিন ধরে প্লানিং করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। ৮ থেকে ৯ মাসের পুরো প্লানিং করার পর দিল্লীর দাঙ্গা সম্পন্ন করানো হয়েছিল। তবে দাঙ্গার প্ল্যানিং যতটা চাঞ্চল্যকর তার থেকেও বেশি চাঞ্চল্যকর দাঙ্গার উদ্দেশ্য।

আসলে দিল্লী দাঙ্গার মূল উদেশ্য ছিল কেন্দ্রে থাকা সরকারকে ক্ষমতা থেকে উবড়ে ফেলা। দাঙ্গার মাধ্যমে দেশে হাহাকার ছড়িয়ে কেন্দ্রের ক্ষমতার পরিবর্তন করার চেষ্টা চালানো হয়েছিল। সরকারকে অস্থির করে কেন্দ্রের সরকার পরিবর্তন ছিল দিল্লী দাঙ্গার মূল উদেশ্য। নরেন্দ্র মোদীর ২৭৪ দিন পর দিল্লীতে দাঙ্গা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদীর শপথ গ্রহণের পর দিন থেকে দাঙ্গার জন্য প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছিল এবং পুরো প্রস্তুতিকে বাস্তবায়ন করার দিন ছিল ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০।

এই সমস্ত পর্দাফাঁস দিল্লী পুলিশের চার্জশিটে করা হয়েছে। চার্জশিটে দাঙ্গার সাথে জড়িত লোকজন ও তাদের প্ল্যানিং এর বিষয়ে বিস্তৃত বলা হয়েছে। উমর খালিদ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে দাঙ্গার জন্য অস্ত্রশস্ত্র মেরঠ থেকে আনা হয়েছিল। এর জন্য টাকা কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ ইসরাত জাহান দিয়েছিলেন।

দিল্লী দাঙ্গার জন্য যে হোয়াটসাপ গ্রূপ খোলা হয়েছিল সেখানের তথ্যও সামনে এসেছে। হোয়াটসাপ গ্রূপে কোথায় আগুন জ্বালানো হবে, কোথায় জ্যাম করা হবে ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা হতো। চার্জশিট অনুযায়ী চাঁদবাগে দাঙ্গার জন্য বড়ো মিটিং এর আয়োজন করা হয়েছিল। মিটিংয়ে ঠিক করা হয়েছিল দাঙ্গাতে হিন্দুদের টার্গেট করা হবে। ২৩ ফেব্রুয়ারি দাঙ্গাবাজরা রাস্তায় নেমে ই-বাহন এপ্লিকেশন থেকে গাড়ির মালিকদের বিষয়ে সার্চ করা হয়েছিল। এই ভিত্তিতে বেছে বেছে হিন্দুদের গাড়ি জ্বালানো হয়েছিল। ট্রাম্পের সফরের সময় এই দাঙ্গার আয়োজন করা হয়েছিল যাতে ভারতের ছবি বিশ্বজুড়ে খারাপ দেখানো যায়।