Press "Enter" to skip to content

মদ খাইয়ে গায়ে পেট্রোল ঢেলে এক ব্যক্তিকে জ্যান্ত জ্বালাল আন্দোলনরত কৃষকরা! বিতর্কে কৃষক আন্দোলন

জিন্দঃ হরিয়ানার বাহাদুরগড়ের বাইপাসের নিকটে আন্দোলনকারী কৃষকদের সঙ্গে যোগ দিতে যাওয়া এক ব্যক্তির গায়ে তেল ঢেলে তাঁকে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত ব্যক্তির চিকিৎসাচলাকালীন মৃত্যু হয়। এক কৃষক আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে ওই ব্যক্তির গায়ে তেল ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্তের একটি হয়েছে। পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে এবং প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতারও করেছে।

আন্দোলনকারীর মৃত্যুর পর গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখিয়ে ের বাইরে দিল্লী-রোহতক রোড জ্যাম করে দেয়। তাঁরা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়ার দাবি তোলে। এছাড়াও মৃতের স্ত্রীকে ি দেওয়া এবং তাঁদের একমাত্র সন্তানের পড়াশোনার সমস্ত দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে সেই দাবি তোলে। এছাড়াও গ্রামবাসীরা কৃষকদের এই আন্দোলন সেখান থেকে সরিয়ে অন্যত্র নিয়ে যাওয়ারও দাবি তোলে।

পুলিশে করা অভিযোগে মৃতের দাদা মদন লাল বলেন, তাঁর ভাই মুকেশ বুধবার সন্ধে বেলায় পায়াচারি করতে বেরিয়েছিল। সে হাঁটতে হাঁটতে গ্ের পাশে আন্দোলনে বসা কৃষকদের কাছে পৌঁছে যায়। মদন জানান, রাত প্রায় ৯ টা াদ ঘটনাস্থলে পাশে থাকা একটি পেট্রোল পাম্পের কর্মচারী তাঁকে জানায় যে, তাঁর ভাইয়ের গায়ে তেল ঢেলে আন্দোলনকারীরা আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

এরপর সে তৎক্ষণাৎ গ্রামের প্রাক্তন প্রধানকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সেখানে গিয়ে সে দেখে তাঁর ভাই বীভৎস ভাবে জ্বলে গেছে। তাঁকে তৎক্ষণাৎ নাগরিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁর ৯০ শতাংশ শরীর জ্বলে গিয়েছিল। চিকিৎসার সময় মুকেশ বলেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে কৃষ্ণ নামের এক ব্যক্তি প্রথমে তাঁকে খাওয়ায় এরপর তাঁর শরীরে তেল ঢেলে জ্বালিয়ে দেয়। গুরুতর জখম মুকেশকে নাগরিক হাসপাতাল থেকে রেফার করে দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ব্রহ্মশক্তি সঞ্জীবনী হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন দুই তিন ঘণ্টার মধ্যে তাঁর মৃত্যু হয়।

পুলিশ মামলাটিকে গম্ভীর ভাবে নিয়ে কৃষক আন্দোলনকারি কৃষ্ণকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সুত্র অনুযায়ী, কৃষ্ণকে বৃহস্পতিবার দুপুরের আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আজই তাঁকে আদালতে তোলা হবে। উল্লেখ্য, এর আগেও কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিতর্ক ছড়িয়েছে। সেবার পশ্চিমবঙ্গ থেকে কৃষক আন্দোলনে যোগ দিতে যাওয়া এক বাঙালি যুবতীর সঙ্গে শ্লীলতাহানি এবং ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছিল কয়েকজন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে। এরপর ওই যুবতী করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেলে, তাঁর দেহ নিয়ে র‍্যালি করে কৃষকরাই।