Press "Enter" to skip to content

মন্দির না হওয়া পর্যন্ত ফাইবারের অস্থায়ী মন্দিরে বিশ্রাম করবেন রামলালা বিরাজমান

() নির্মাণ শুরু হতেই () এর বিগ্রহ গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে অস্থায়ী মন্দিরে শিফট করার রণনীতি বানানো হয়েছে। এই মন্দির ফাইবারের হবে, এরজন্য অধিগৃহীত পরিসরে মানস ভবনের দক্ষিণ দিকে প্রশাসন জমি মাপার কাজ করেছে।

ট্রাস্টের বৈঠকে রাম মন্দির নির্মাণের তিথি নির্ধারিত হলেই অস্থায়ী মন্দিরকে স্বীকৃতি দেওয়া হবে। এরপর জেলা আধিকারিক যিনি ট্রাস্টের সদস্য তিনি অস্থায়ী মন্দিরের ব্যবস্থাকে অন্তিম রুপ দেবেন। সেখানে ভক্তদের দর্শন আর পুজো করার জন্য বিশেষ বন্দোবস্তও করা হবে। রামলালার দর্শনের রাস্তা, আর মন্দির থেকে বেরনোর রাস্তা আলাদা আলাদা করা হবে। এর ফলে মন্দিরে ভিড় নিয়ন্ত্রণে সুবিধা হবে।

ছয় ডিসেম্বর ১৯৯২ সালের ঘটনার পর রামলালা অস্থায়ী তাঁবুতে বিরাজমান। যতদিন মন্দির নির্মাণ সম্পূর্ণ না হচ্ছে, ততদিন রামলালাকে বর্তমান স্থল থেকে সরিয়ে ফাইবারের মন্দিরে শিফট করা হবে। শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্টের বৈঠকে এই প্রস্তাবে এর স্বীকৃতি নেওয়া হয়েছে। ওই প্রস্তাবে রামলালার জন্য ভব্য ফাইবারের মন্দির বানানোর কথা উল্লেখ আছে। ওই মন্দিরকে মানস ভবনের দক্ষিণে শিফট করা হবে। যেখানে রামলালা ওনার চার ভাইইয়েরসাথে বিরাজমান হবেন।

রাম জন্মভূমির প্রধান পুরোহিত আচার্য সত্যেন্দ্র দাস বলেন, রামলালার ভব্য মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। আর এর জন্য ওনাকে তাঁবু থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ইঞ্জিনিয়ারদের দল এরজন্য অধিকৃত জমি মেপেছে। রামলালাকে শিফট করার জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে।