Press "Enter" to skip to content

মমতা ব্যানার্জীকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

এবার রাজ্যের বিজেপির মহিলা সভানেত্রী তার দলের অর্থাৎ বিজেপির কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ভাষন দেবার সময় সমহিমায় ফুটে উঠলেন। তিনি দলের কর্মসূচিতে গিয়ে কটাক্ষের সুরে আক্রমণ করলেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। শুধু তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করার সাথে সাথে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সমানভাবে আক্রমণ করলেন। সেই দিনের সভাতে বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী, রাজ্যের মহিলা নিরাপত্তার কথা তুলতে গিয়ে মনে করিয়ে দিলেন যে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা। বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যেখানে একজন মহিলা সেখানে এই রাজ্যের মহিলা নিরাপত্তা এত প্রশ্নের মুখে কেন? কেন মহিলারা তাদের নিজেদের মত জীবনযাপন করতে পারেন না এই রাজ্যে? বারবার এই রাজ্যে নারি নির্যাতনের মত ঘটনা কেন ঘটছে?

তাই তিনি মনে করেন যে নারীরা এবার নিজেদের সুরক্ষার জন্য তারা নিজেই এবার বিজেপিকে এই রাজ্যের ক্ষমতায় আনবেন। কিছু দিন যাবৎ বীরভূম জেলায় বেশ কয়েকটি নারী নির্যাতনের ও ধর্ষনের ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু জেলা প্রশাসন সেই সব ঘটনায় কোনো ব্যাবস্থা নেই নি। সোমবার দুপুরে সেই সমস্ত ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপির তরফ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছিল সিউড়িতে জেলাশাসকের দফতরের সামনে।সেখানে হাজির হয়েছিল রাজ্যের বিজেপি মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।

তিনি এইসব মন্তব্য করেন সেখানকার ওই সভাতেই।সেই সঙ্গে তিনি বলেন যে ২১ জুলাই মুখ্যমন্ত্রী শহিদ দিবসের নামে সভা করে শহিদের ভুলেই গিয়েছিলেন। শুধু বিজেপি বিজেপি করেই পুরো সময় শেষ করে দিলেন। মোদীজির মেদিনীপুর সভাতে প্যান্ডেল ভেঙে পড়ার প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপি কে কটাক্ষ করে বলেন যে, যারা প্যান্ডেল সামলাতে পারেন না, তারা দেশ সামলাবে কী করে৷ ঠিক তার পরের দিন দিঘায় বিশ্ববাংলার গ্লোব ভেঙে পড়ে।

সেই প্রসঙ্গ টেনে এবার লকেট বলেছেন যে, ‘‘যারা বিশ্ববাংলার লোগো সামলাতে পারে না, তারা বাংলা সামলাবে কী করে৷’’ আগে বাংলার অহংকার বিশ্ববাংলার লোগো সামলান তারপর বাংলা সামলাবেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও এদিন তিনি তার সভা থেকে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে আক্রমণ করেন। তিনি বলেন যে, নিজের জেলার মহিলাদের আগে নিরাপত্তা দিন তারপর অন্যকে বলবেন। এমনকি অনুব্রতর সম্পত্তির হিসেব দাবি করেন তিনি। কিন্তু তিনি অনুব্রতের নাম না করে তাকে গুন্ডা-বদমাশ বলে উল্লেখ করেছেন।
#অগ্নিপুত্র