Press "Enter" to skip to content

মহিষাসুর অশুভ শক্তির প্রতীক নন, তাকে অন্যায়ভাবে খুন করা হয়েছিল: বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, বামপন্থী নেতা


ধৰ্মনিরপেক্ষতার প্রমান দেখাতে গিয়ে প্রকাশ্যে গোমাংস ভক্ষণ করা বামপন্থী নেতা আরো একবার চর্চায় এসেছেন। হিন্দু ধর্ম অনুভূতিতে পাত্তা না দিয়ে নিজেদের প্রতিবাদী মহা সেকুলার প্রমান করতে কলকাতার রাস্তায় গিলেছিলেন গো-মাংস। সেই সময় বিকাশ বাবু বলেছিলেন, গরিবদের জন্য সহজলভ্য প্রোটিন হলো গো-মাংস। এই ধরনের মন্তব্য ও জঘন্য কাজ হিন্দুদের কতটা আঘাত করে তা অগ্রাহ্য করেই নিজের প্রোপাগান্ডায় মেতেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। ওই সময় অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উনাকে হিন্দু বিরোধী আখ্যা দিয়েছিলেন।

এখন আরো একবার বাম নেতাকে নিয়ে একই ধরনের অভিযোগ উঠতে শুরু হয়েছে। আসলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য হিন্দুদের দূর্গাপূজা প্রসঙ্গে অদ্ভুত মন্তব্য করেছেন। ফেসবুকে পোস্ট করে বাম নেতা লিখেছেন, মহিষাসুর কোনো অশুভ শক্তির প্রতীক নন বরং তিনি শহীদ। বাম নেতা তার পোস্টে দাবি করেছেন যে, আর্য সভ্যতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়তে গিয়ে অনার্য মহিষাসুর খুন হয়েছিলেন। মহিষাসুরকে অন্যায়ভাবে খুন করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য এর ফেসবুক পোস্টে।

এর ভিত্তিতে একটা বড়ো গল্পও লিখেছেন বিকাশ বাবু। আর এই পোস্ট নিয়েও শুরু হয়েছে বিতর্ক। বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ পূজা দুর্গাপূজাকে নিয়ে নোংরা মিথ্যাচার করার অভিযোগ উঠেছে এই বামপন্থী নেতার বিরুদ্ধে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজনরা বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য এর উপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। কেউ লিখেছেন, কমিউনিস্ট মানেই বাঙালি বিরোধী, কেউ আবার লিখেছেন, দুর্গাপূজার উৎসবকে অর্ধেক বন্ধ করেও শান্তি হয়নি চীনের দালালের।

প্রসঙ্গত জানিয়ে দি, ভারতীয়দের একতাকে ভাঙতে ইংরেজরা আর্য অনার্য নামের একটা কনসেপ্ট তৈরি করেছিল। যার মাধ্যমে উত্তর ভারত বনাম দক্ষিণ ভারতে, উচ্চ বর্ন বনাম দক্ষিণ বর্ন ইত্যাদি নানা তথাকথিত ধারণা ভারতীয়দের মনে ঢুকিয়ে একতা বিনষ্ট করা হতো। হিন্দুদের মধ্যে একতা ভাঙার এই নীতিকে বর্তমানেও কিছু রাজনৈতিক দল ব্যাবহার করে। যদিও ইংরেজদের তৈরি আর্য অনার্য কনসেপ্ট যে ভুয়ো তা অনেক আগেই প্রমাণিত হয়েছে। বিশেষ করে রাখিগাড়ি DNA স্টাডি স্পষ্ট প্রমান করেছে যে আর্য অনার্য ধারণা সম্পূর্ণ মনগড়া একটা গল্প ছাড়া কিছুই নয়।