Press "Enter" to skip to content

মাঝ আকাশে বন্ধ হয়ে গেছিল রতন টাটার প্লেনের ইঞ্জিন! নিজের বুদ্ধিমত্তায় করেছিলেন সেফ ল্যান্ডিং

[ad_1]

রতন টাটা (Ratan Tata) এমন একটা নাম যিনি বারবার দেশের গৌরব বাড়িয়েছেন। যখনই প্রয়োজন পড়েছে উনি দেশবাসীর জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আর এই কারনেই রতন টাটা লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতীর কাছে প্রেরণা হয়ে রয়েছেন। টাটা গ্রুপের চেয়ারম্যান থেকে যে কোন ব্যাক্তি কিছু না কিছু শিক্ষা নিতে পারেন। তাতে সেটা কোম্পানিকে আকাশছোঁয়া করা হোক বা দেশের উন্নতির জন্য কোন কাজ করা হোক।

সবক্ষেত্রেই রতন টাটা এগিয়ে থাকেন। খবরের কাগজ, ম্যাগাজিন বেরোলেই তাতে রতন টাটার জীবনের নানা কাহিনী পড়তে পাওয়া যায়। কিছুদিন আগে এ রতন টাটা পিয়ানো বাজানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলেন যে কারণে তিনি খবরের শিরোনামে উঠে এসেছিলেন। আপনাদের জানিয়ে দিই রতন টাটা চারবার বিয়ে করার প্রস্তুতি নিয়েও পিছিয়ে এসেছিলেন এবং শেষ অবধি অবিবাহিত থেকেছেন।

এটা খুব কম লোকই জানেন যে রতন টাটার কাছে পাইলটের লাইসেন্স রয়েছে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী মাত্র 17 বছর বয়সী রতন টাটা পাইলটের লাইসেন্স পেয়েছিলেন। রতন টাটা নিজের কলেজের জীবনে হেলিকপ্টার ওড়াতে গিয়ে একটুর জন্য বিপদের হাত থেকে বেঁচেছিলেন। রতন টাটা একবার সিঙ্গেল ইঞ্জিন হেলিকপ্টার পাইলট সেই সময় তার হেলিকপ্টারে কিছু সমস্যা দেখা দেয়। যে কারণে তিনি ল্যান্ডিং করতে গিয়ে বড়োসড়ো সমস্যার মুখোমুখি হন।

রতন টাটা বলেন আমার হেলিকপ্টার একেবারেই জলের উপরে উড়ছিল। সেই সময় ল্যান্ডিং করাতে আমার খুব সমস্যা হয়েছিল। আমরা তিন সহপাঠী সেই সময় প্রাক্টিস করেছিলাম। হঠাৎ মাঝ আকাশে হেলিকপ্টারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। আমি কোনোক্রমে হেলিকপ্টার ল্যান্ডিং করিয়েছিলাম।

টাটা বলেন “আমরা প্রথম প্রথম সার্কিট ট্রেনিং অনলাইন প্রাক্টিস করতাম। প্রথম দিনে ল্যান্ডিং প্র্যাকটিস আমার খুব সহজ মনে হয় তবে দ্বিতীয় দিন আমরা তিন সহপাঠী মিলে যখন প্র্যাকটিস করছিলাম সেই সময় ল্যান্ডিং করতে গিয়ে যে সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল তা আজও আমার স্মৃতিতে রয়েছে। তবে আমার সাথে যে ৩ জন যাত্রী ছিল তারা খুবই শান্ত ছিল। তাই আমি খারাপ পরিস্থিতিতেও হেলিকপ্টার ল্যান্ডিংয়ে প্রতি মনোযোগী হতে পেরেছিলাম।”

[ad_2]