Press "Enter" to skip to content

মাত্র ২ বছরে সপ্তম স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ভারত! রিনিউবেল এনার্জির ক্ষেত্রে পেল বড়ো সাফল্য


আরো একবার বিশ্বকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য ভারতের () উত্থান হতে দেখা যাচ্ছে। আর্থিক হোক বা সামাজিক সব ক্ষেত্রেও ভারতকে নিজের ডানা মেলতে দেখা যাচ্ছে। শুধু এই নয়, বিশ্বজুড়ে যে সমস্ত সমস্যা দেখা দিয়েছে তার সমাধানেও ভারত সবার আগে দাঁড়িয়ে পড়েছে। টেরর দমনে হোক বা করোনা মহামারির সাথে পাঞ্জা লড়া হোক, ভারত তার ্তাধারা ও কর্মধারার মাধ্যমে সফলতা এনে নিজের শক্তির প্রমান দিয়েছে।

এখন তাজা সামনে এসেছে যে ভারত এক বড়ো ক্ষেত্রে বিশ্বের তথাকথিত তাবড় তাবড় দেশকে পেছনে ফেলে তৃতীয় স্থান দখল করেছে। মাত্র ২ বছরের ভারত সপ্তম স্থান থেকে এক লাফে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। রিনিউবেল এনার্জির (Renewable Energy) ক্ষেত্রে ভারত এই সাফল্য অর্জন করেছে। ২০১৯ সালে ফ্রান্স অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও ইউনাইটেট কিংডম মতো দেশ রিনিউবেল এনার্জির ক্ষেত্রে ভারতের থেকে এগিয়ে ছিল।

তবে ২০২১ সালে ভারত তার পূর্ন প্রভা প্রতিফলিত করে ইউনাইটেট কিংডম, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে দিয়েছে এবং তৃতীয় স্থান দখল করেছে। রিনিউবেল এনার্জির ক্ষেতে ভারতের এই গ্লোবাল রাঙ্কিং বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের ভারতের প্রতি অকৃষ্ট করেছে। কার্বন এমিশন কম করার দিক থেকে ভারত উক্ত দেশগুলির থেকে অনেক ভালো কাজ করেছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

সোলার এনার্জি ক্ষেত্রে ভারত বিশ্বজুড়ে প্রসংসা কুড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে ভারত সোলার এনার্জির () উপর এত দ্রুত কাজ করছে যে ২০৪০ সাল আসার আগেই ভারত কয়লার উপর বিদ্যুৎ তৈরির নির্ভরতা কমিয়ে ে। অর্থাৎ কয়লা থেকে বেশি বিদ্যুৎ সোলার এনার্জি থেকে উৎপন্ন করা সম্ভব হবে। Make in India প্রকল্পের আওতায় ভারত এই উপলব্ধি অর্জন করেছে।

যে গ্লোবাল ইনডেক্স প্রকাশিত হয়েছে তাতে আমেরিকা ও ভারতের আগে রয়েছে। তার মূল কারণ আমেরিকা, চীন ভারতের বহু বছর আগে থেকে এই ক্ষেত্রগুলিতে কাজ শুরু করেছিল। তবে মাত্র ২ বছরের মধ্যে এতগুলি বিকশিত দেশকে পেছনে ফেলা দেওয়া অনেককে অবাক করেছে। যে কারণে আগামী দিনে ভারত ও চীনকে পেছনে ফেলে দিলেও আশ্চর্য হওয়ার সু থাকছে না।