Press "Enter" to skip to content

মুসলিম বৃদ্ধকে জোরপূর্বক জয় শ্রী রাম বলানোর অভিযোগ মিথ্যা! চলছিল যোগী সরকারকে বদনাম করার ষড়যন্ত্র

ে যোগী সরকারকে বদনাম করার এক বড়োসড়ো ষড়যন্ত্র বিফল হয়েছে। আসলে দিল্লী ঘেঁষা গাজিয়াবাদে এক বৃদ্ধকে মারধর করা হয়। সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। ভুক্তভোগী সুফি আব্দুল সামাদ অভিযোগ তুলেছেন যে তার ধৰ্ম ইসলাম এবং তিনি একজন মুসলিম। আর এই কারণেই নাকি তাকে মারধর করা হয়েছে।

অভিযোগ এও যে, মুসলিম হওয়ার কারণে তার দাঁড়ি কেটে দেওয়া হয়েছে একই সাথে জয় শ্রী রাম বলার জন্য জোর করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় মুসলিম বৃদ্ধের উপর হামলার ভিডিও বেশ ভাইরাল হয়েছে। তবে যে ভিডিও তুলেছিল সেই ব্যক্তি ভিডিওর অডিও মিউট করে রেখেছিলেন। এই ভিডিওকে হিসেবে ব্যবহার করে একদল উন্মাদী ের বিরুদ্ধে আক্রোশ প্রকাশ করতে নেমে পড়েছে।

লক্ষণীয় বিষয় যে ভিডিওটি ভারত ছাড়িয়ে বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায়তেও ভাইরাল হয়েছে। আর বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা ভিডিওটিকে কাজে লাগিয়ে হিন্দুবাদীদের দোষ ত্রুটি বের করতে লেগে পড়েছে। তবে এই ভিডিওটির সত্যতা যাচাই হতেই আসল ষড়যন্ত্র ফাঁস হয়েছে। আসলে মুসলিম বৃদ্ধকে যারা মারধর করেছে তারা সকলেই মুসলিম যুবক। আরিফ, আদিল, মুসাহিদ নামের কিছু যুবক পারভেজের বাড়িতে ওই বৃদ্ধকে নিয়ে যায় এবং সেখানেই মারধর করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জানা গেছে ওই বৃদ্ধ তাবিজ বিক্রি করেন তথা অন্ধবিশ্বাসের ব্যাবসা করেন। যে সব যুবকরা বৃদ্ধকে মারধর করেছে, তারা তাবিজ দ্বারা কোনো সুফল না পেয়ে এই কাজ করেছে। সমাজবাদী পার্টির এক নেতার উস্কানিতে ওই বৃদ্ধ মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, হিন্দুবাদীদের বদনাম করার এমন ষড়যন্ত্রের ঘটনা আগেও দেখা গেছে। সম্প্রতি গুরুগ্রামের এক যুবক অভিযোগ করেছিল যে জয় শ্রী রাম না বলার জন্য তার টুপি ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পরে ফুটেজ বেরিয়ে আসার পর দেখা যায় যে কেউ ওই যুবকের টুপি ফেলেনি, সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছিল।