Press "Enter" to skip to content

মোদীর ইজরায়েল যাত্রার সঙ্গে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা রদ গুলিয়ে ফেলে বিদ্রূপের শিকার ইমরান খান


নয়া দিল্লিঃ পাকিস্তানের (Pakistan) (Imran Khan) কোনও তথ্য ছাড়া যা খুশি তাই বলে দেন। আর এবার সেই কারণেই ওনাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চরম ট্রোল শুরু হয়েছে। ইমরান খান একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন যে, ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra ) যাত্রা সেরে দেশে ফেরার পর জম্মু- থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেন।

না জেনে শুনে এমন আজগুবি দাবি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এটা জানেন না যে, নরেন্দ্র মোদী ২০১৭ সালের জুলাই মাসে ইজরায়েলের যাত্রা করেছিলেন। আর জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তোলা হয় ২০১৯ সালের আগস্ট মাসের তারিখ।

ইমরান খানের এই সাক্ষাতকারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে আর সেখানে ওনাকে নিয়ে তুমুল বিদ্রূপও করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইজরায়েল যাত্রায় জম্মু কাশ্মীর নিয়ে রণনীতি তৈরি করেন আর ফিরে এসে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়ার ঘোষণা করেন। কিন্তু আসল সত্য হল, প্রধানমন্ত্রীর ইজরায়েল যাত্রার দুই বছর পর জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তোলা হয়।

https://platform.twitter.com/widgets.js

ইমরান খান সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন যে, ভারত আর ইজরায়েলের বন্ধুত্ব অনেক গভীর। ওই সাক্ষাৎকারেই ইমরান খান পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়েও কথা বলেন। তিনি এও বলেন যে, বিসিসিআই বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্রিকেট বোর্ড। তিনি বলেন, ‘এই সময় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল টাকা। ভারত সবথেকে ধনী বোর্ড। আর এই কারণেই ভারতের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য কোনও দেশই হিম্মত দেখাবে না। যেমন পাকিস্তানের সঙ্গে করেছে, তেমন কেউ ভারতের সঙ্গে করতে পারবে না।”

ইমরান খান বলেন, ‘শুধু খেলোয়াড়দেরই না, ভারতীয় বোর্ড বিভিন্ন দেশের বোর্ডদের টাকা দেয়। এই কারণে ভারতই গোটা ক্রিকেটকে কন্ট্রোল করে। তাঁদের উপরে বলার মতো কেউ নেই। কারও সাহস হয়না।”

ইমরান খান বলেন, ‘আমার হিসেবে ইংল্যান্ড ভাবে পাকিস্তানের মতো দেশের সঙ্গে খেলে তাঁদের উপর দয়া করে তাঁরা। এর একটাই কারণ, সেটা হল টাকা। ইমরান খান বলেন, ‘আমি পাকিস্তান আর ইংল্যান্ডের ক্রিকেট সম্পর্ক বাড়তে দেখেছি। কিন্তু তাঁরা এই কাজ করে নিজেদের সম্মান ডুবিয়েছে।” উল্লেখ্য, টি-২০ বিশ্বকাপের আগে ইংল্যান্ড পুরুষ দলের পাকিস্তানে গিয়ে খেলার কথা ছিল। এছাড়াও ইংল্যান্ডের টিমেরও পাকিস্তানে গিয়ে খেলার কথা ছিল। কিন্তু নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে তাঁরা সফর রদ করে দেয়।