Press "Enter" to skip to content

যারা হিজাব পরে কলেজে আসতে চাই তাদের পড়াশোনায় মন নেই: আরিফ মোহাম্মদ খান, কেরলের রাজ্যপাল

[ad_1]

কর্ণাটকের বোরখা বিতর্ক পুরো দেশ জুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছি। তারই মাঝে মামলা হাইকোর্টে গেলে হাইকোর্ট পরিষ্কার ভাবে জানিয়ে দেয় শিক্ষালয় করো ধর্মীয় মেরুকরণের জায়গা নয় তাই যেকোনো ধর্মীয় পোশাক পরে বিদ্যালয়ে আসা নিষিদ্ধ। সম্প্রতি কর্ণাটকের এই ঘটনা নিয়ে কেরলের রাজ্যপালের দেওয়া বিবৃতি সবার নজর কেড়েছে।

কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মোহাম্মদ খানের মতে
যারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইউনিফর্ম পরতে পছন্দ করেন না, তারা বাইরে যেতে পারে। তার মতে, স্কুল-কলেজে শৃঙ্খলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সেই শৃঙ্খলা সবাই কে মানা উচিত। তিনি বলেন, যদি কেউ ইউনিফর্ম পছন্দ না করে তবে তার উচিত প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করা, শৃঙ্খলা মেনে চলা এবং শৃঙ্খলা ভাঙার চেষ্টা করা উচিত নয়, কারণ শৃঙ্খলাই প্রতিষ্ঠানের ভিত্তি।

শৃঙ্খলা ছাড়া জীবন চলতে পারে না। আপনি যখন আপনার পড়াশুনা শেষ করবেন এবং আপনি যখন বাইরে যাবেন, আপনি যে পোশাকটি পরবেন তা আপনার পছন্দ সেখানে আপনাকে কেউ বাধা দেবে না। আরিফ মোহাম্মদ খান বলেন শিক্ষার্থীদের ড্রেস কোড নিয়ে জানা ছিল । কিন্তু তবু তারা ইচ্ছাকৃতভাবে প্রবেশ করে । এটার মধ্যে যে কোনো রাজনৈতিক ও গোপন ব্যাপার আছে সেটা তিনি স্পষ্টতই বুজতে পারছেন।

আরিফ মোহাম্মদ খান আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি কে কী পরবে তা কখনই বিতর্কের বিষয় নয়। এটা প্রত্যেক মানুষের অধিকার। শর্ত একটাই, শালীনতা থাকতে হবে, সভ্যতা থাকতে হবে, সংস্কৃতি থাকতে হবে। যে সেনাবাহিনীতে আছে সে বলতে পারে না যে আমি যা খুশি পরব, পুলিশ বলতে পারে না যে আমি যা চাই তাই পরব। সকিছুর একটা নিয়ম আছে সেই নিয়ম মেনে যদি আমরা চলতে থাকি তাহলেই সব ভালো থাকবে।

https://platform.twitter.com/widgets.js

তিনি বলেন, অনেক কিছুকে জোর করে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। তিন তালাককেও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। এর সাথে কুরআনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, হিজাব শব্দটি পোশাকের জন্য নয়, পর্দার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। ধর্মের সাথে হিজাবের কোন সম্পর্ক নেই। দেশের প্রতিচ্ছবি খারাপ করার জন্য যারা এইরকম করছে দেশ তাদের কখনো ক্ষমা করবে না।

[ad_2]