Press "Enter" to skip to content

‘রাখে হরি মারে কে” জলমগ্ন ঘাটালে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেল NDRF


ঘাটালঃ অতিবৃষ্টি আর DVC থেকে ছাড়া জলের ফলে জলমগ্ন গোটা ঘাটাল। বহু বাড়িঘর ডুবে গিয়েছে জলের তলায়। আশ্রয়হীন অজস্র মানুষ। বন্যার জল বাড়ার পর থেকে এলাকায় মানুষকে উদ্ধারের কাজে নেমে পড়েছিল এনডিআরএফ-এর টিম। বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়েও পৌঁছে দিয়েছে তাঁরা। আর এরই মধ্যে আবারও দেবদূতের পরিচয় দিল NDRF।

জলমগ্ন ঘাটালে প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছিলেন এক অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূ। তাঁকে কীভাবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে সেটা নিয়ে ্তিত ছিল স্থানীয় স্কুলের শিক্ষক তথা স্বামী উৎপল মাঝি। আর সেই সময় দেবদূতের মতো প্রকট হয় এনডিআরএফ-এর টিম।

উৎপলবাবু তাঁর স্ত্রীকে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার জন্য শনিবার ভোরে মহকুমা শাসকের কাছে আবেদন জানান। আর এরপরই এনডিআরএফ সেখানে স্পিড বোট নিয়ে হাজির হয়ে উৎপলবাবুর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

শুক্রবার রাত থেকেই উৎপলবাবুর স্ত্রী বৈশাখী মাঝির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। জলমগ্ন এলাকায় কী থেকে কী করবেন, ভেবে পাচ্ছিলেন না স্কুল শিক্ষক। রাত বাড়তেই বৈশাখীদেবীর সমস্যা আর উৎপলবাবুর চিন্তা আরও বেড়ে যায়। এরপরই উৎপলবাবু মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাসকে ফোন করেন। ওনার ফোন করার পরেই এনডিআরএফ-এর টিম বৈশাখীদেবীকে উদ্ধার করতে মনসুখা গ্ে পৌঁছে যায়।

শনিবার ভোরে উৎপলবাবুর নয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে ঘাটাল মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। এরপর সেখানে চিকিৎসার পর রবিবার ওনাকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সামান্য কিছু শারীরিক সমস্যা ছিল বৈশাখী মাঝির। এই কারণেই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। এখন সে সুস্থ।